কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর, কুলিয়ারচর, নিকলী, অষ্টগ্রাম, মিঠামইন ও ইটনায় দিন দিন ডেঙ্গু ও হামের রোগির সংখ্যা বেড়েই চলেছে। একদিকে গড়ে যেখানে ডাক্তার থাকার কথা ১৫-২০ জন সেখানে রয়েছে মাত্র ৬-৭ জন। প্রতিটি হাসপাতালে গরীব রোগির সংখ্যা ৮০-৯০ জন রোগি ভর্তি হচ্ছে। প্রতিটি হাসপাতাল ৫০ শয্যা বিশিষ্টি। কিন্তু ৩০-৪০ জন রোগি সারাধন সীটে না থেকে তাদের’কে নিচে পর্যন্ত গাদাগাদি করে থাকতে হচ্ছে। এতে করে ডেঙ্গু ও হামের রোগিদের সেবার মান খুব একটা ভালো হচ্ছে না বলে এলাকায় অভিযোগ উঠেছে। এসব হাসপাতালে খাবারের মান খুব একটা ভালো নয় বলে রোগিদের অভিযোগ। গত বৃহঃস্পতিবার বাজিতপুর সরকারি হাসপাতালে কয়েকজন গণমাধ্যম কর্মী সরজমিনে গেলে দেখা যায়. যেখানে ৫০ জনের সীট রয়েছে কিন্তু সেখানে ৮০-৯০ জন রোগি ভর্তি হয়েছে। এসব রোগিরা জানান, প্যারাসিটামল ছাড়া হাসপাতালে ঔষধ পাওয়া যায় না। বাহির থেকে স্যালাইন এনে ডেঙ্গু জ্বরের রোগিদের চিকিৎসা করতে হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া মেডিসিন বিভাগ ও অর্থপেডিক্স বিভাগে ডাক্তার প্রায় সময়েই ছুটিতে আছে বলে জানা গেছে। অন্য দিকে এসব হাসপাতালে বিদ্যুৎ খুব কম থাকার কারণে শিশু ও বৃদ্ধ রোগিরা সবচেয়ে বেশি দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বাজিতপুর সরকারি হাসপাতালের অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রাপ্ত স্বাস্থ্য ও পঃপঃ কর্মকর্তা রাবেয়া আক্তার বলেন, গত এক মাসে ডেঙ্গু রোগি হয়েছে ১০৪ জন ও হামের আসিলেও পার্শ্ববর্তী বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয় বলে উল্লেখ করেন।