ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ভাংচুর ও লুটপাট, বিরোধ মিটলে উপজেলাবাসীর

এফএনএস (বরিশাল প্রতিবেদক) : | প্রকাশ: ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ০৫:১৯ পিএম
ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ভাংচুর ও লুটপাট, বিরোধ মিটলে উপজেলাবাসীর

বাস ভাড়া নিয়ে দ্বন্দের জেরধরে বরিশালের গৌরনদী উপজেলার সীমান্তবর্তী ভুরঘাটা বাসষ্ট্যান্ডে পাশ্ববর্তী মাদারীপুরের ডাসার উপজেলাবাসীর বিরুদ্ধে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে হামলা-ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠে। এঘটনার পর দুই উপজেলাবাসীর মধ্যে চলমান উত্তেজনার অবসান হয়েছে। এতে দুই উপজেলার সীমান্তবর্তী বাসষ্ট্যান্ড ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

রবিবার (৪ অক্টোবর) বিকেল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত বিরোধে জড়িত দুই পক্ষকে নিয়ে ভুরঘাটা বাসষ্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় সালিস বৈঠকের পর বিরোধের শান্তিপূর্ন সমাধান হয়েছে। প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে দুই পক্ষই ভবিষ্যতে কোনো বিরোধে জড়াবেনা বলে অঙ্গীকার করেন বৈঠকে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য আনিসুর রহমান তালুকদার খোকন। বৈঠকে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কালকিনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার কিশোর কুমার দাস, কালকিনি থানার ওসি জহিরুল আলম, ডাসার থানার ওসি মো. সোলায়মান মাহমুদ, গৌরনদী মডেল থানার ওসি মো. তারিক হাসান রাসেল, গৌরনদী উপজেলা বিএনপির আহবায়ক সৈয়দ সরোয়ার আলম বিপ্লব, সদস্য সচিব শরীফ জহির সাজ্জাদ হান্নান সহ স্থানীয় গণমান্য ব্যক্তিরা।   সোমবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে গৌরনদী মডেল থানার ওসি তারিক হাসান রাসেল জানিয়েছেন, বৈঠকে উভয়পক্ষের বক্তব্য উপস্থাপনের পর আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টির শান্তিপূর্ন সমাধান করা হয়েছে। ভবিষ্যতে কোন পক্ষই সংঘর্ষ-সংঘাতে না জড়িয়ে শান্তিপূর্নভাবে বসবাসের অঙ্গীকার করেছেন। উল্লেখ্য, বাসভাড়া নিয়ে দ্বন্দের জেরধরে গত শুক্রবার মাদারীপুরের ডাসার উপজেলার বনগ্রাম এবং গৌরনদী উপজেলার ভুরঘাটা এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ হয়। এসময় ২০/২৫ টি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। এতে দুইপক্ষের কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়। পাশাপাশি ভুরঘাটা বাসষ্ট্যান্ডের প্রায় ১৫টি দোকানে ভাংচুর করে লুটপাট চালানো হয় বলে অভিযোগ করেন ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীরা।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে