তানোরে

বাঁকি না দেয়ায় দোকানীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করে লাপাত্তা বাদি

এফএনএস (সাইদ হোসেন সাজু; তানোর, রাজশাহী) : | প্রকাশ: ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ০৭:২৮ পিএম
বাঁকি না দেয়ায় দোকানীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করে লাপাত্তা বাদি

রাজশাহীর তানোরে বাঁকি না দেয়ায় দোকানীর বিরুদ্ধে সাড়ে ১৬ লাখ টাকা পাওয়ার দাবি করে থানায় অভিযোগ করে লাপাত্তা বাদি। এঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চলের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ, পুলিশ ও এলাকাবাসী সুত্রে জানা গেছে, তানোর পৌর সদরের কলেজ গেট মহল্লার শ্রী রহিনি কান্ত দাসের পুত্র তানোর থানা মোড়ের সৈনিক সুপার মার্কেটের কানন ভ্যারাইটি স্টোরের মালিক শ্রী কানন চন্দ্র দাস (৩৮)'র বিরুদ্ধে সাড়ে ১৬ লাখ টাকা পাওয়ার দাবি করে তানোর পৌর সদরের গোল্লা পাড়ার হলদার পাড়া মহল্লার দ্বিজেন্দ্রনাথ হালদারের পুত্র শ্রী বিশ্বজিৎ হালদার (৩০) বাদি হয়ে গত ১লা অক্টোবর বৃহস্প্রতিবার তানোর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। 

অভিযোগের প্রেক্ষিতে তানোর থানা পুলিশ ৪ অক্টোবর রোববার উভয় পক্ষকে থানায় ডাকেন। বিবাদী থানায় উপস্থিত হলেও বাদি থানায় উপস্থিত না হয়ে সময় চেয়ে নেন। পরে ৭ অক্টোবর আবারো তারিখ নির্ধারন করা হয়। ৭ অক্টোবরও বিবাদী থানায় উপস্থিত হলেও বাদি উপস্থিত হননি। এব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে বিবাদী কানন চন্দ্র দাস বলেন, বিশ্বজিতের কাছে আমি দোকান বাঁকি বাবদ ১৬ হাজার ৯ শ' ৫০ টাকা পাবো। গত মঙ্গলবার ২৮ সেপ্টেম্বর রাত ১০ টার দিকে দোকানে এসে আরো সাড়ে ৫শ' টাকার জিনিসপত্র নিয়ে খাতায় লিখে রাখতে বলেন। তখন আমি 

বলি আগের বাঁকি পরিশোধ না করলে নতুন ভাবে আর বাঁকি দিবোনা জানিয়ে মালামাল ফেরৎ নিয়ে নিই। এসময় বিশ্বজিৎ হালদার আমার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে বিভিন্ন ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে চলে। তিনি বলেন, ১ লা অক্টোবর বৃহস্প্রতিবার সন্ধ্যায় হঠাৎ তানোর থানার এএসআই মতিউর রহমান দোকানে এসে বলেন আপনার বিরুদ্ধে সাড়ে ১৬ লাখ টাকা পাওয়ার দাবি করে বিশ্বজিৎ থানায় একটি অভিযোগ করেছেন জানিয়ে আমাকে থানায় ডাকেন। আমি থানায় উপস্থিত হলেও বিশ্বজিৎ থানায় উপস্থিত হননি। তিনি বলেন, আমার কাছে বিশ্বজিৎ কোন টাকা পাবে না, আমিই তার কাছে টাকা পাবো। বাকি না দেয়ায় আমার বিরুদ্ধে থানায় মিথ্যে অভিযোগ করে আমার মান হানি ঘটিয়েছে বলেও জানান তিনি। এনিয়ে যোগাযোগ করা হলে বাদি হালদার পাড়া মহল্লার বিশ্বজিৎ এবিষয়ে কথা বলতে রাজি না হয়ে সাংবাদিকদের এড়িয়ে যান।  অভিযোগের তদন্তকারী অফিসার তানোর থানার এএসআই মতিউর রহমান বলেন, অভিযোগের প্রেক্ষিতে উভয় পক্ষকেই থানায় ডাকা হয়েছিলো। বিবাদী উপস্থিত হলেও বাদি উপস্থিত হননি। ফলে, অভিযোগের সত্যতা নেই বলেই মনে হয়েছে বলেও জানান তিনি। তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহমুদুল হাসান বলেন, অভিযোগ করে বাদি নিজেই লাপাত্তা তাই বিষয়টির সত্যতা নেই বলেও জানান তিনি।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে