আশাশুনি উপজেলার বুধহাটায় ব্যবসায় বিনিয়োগকৃত ও লভ্যাংশের টাকা ফেরৎ পেতে আকুতি জানিয়েছেন। ব্যবসায়ী পার্টনারের হাতে অর্থ খুইয়ে নিঃস্ব হতে চলা আলহাজ্ব আঃ গফুর সরদার প্রতিকার পেতে লিখিত আবেদন করেছেন।
লিখিত অভিযোগে প্রকাশ, বুধহাটা ইউনিয়নের শ্বেতপুর গ্রামের আলহাজ্ব আঃ গফুর সরদার বুধহাটা বাজারের প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী ছিলেন। এসময় তার সাথে পরিচয় হয় জমি ক্রয় বিক্রয় ব্যবসায়ী জোড়দিয়া গ্রামের অবঃ সেনা সদস্য শেখ আছাফুর রহমানের। মোটা অংকের লাভের প্রলোভনে পড়ে আঃ গফুর তার ভিটেবাড়ী, বিলান জমি ৯২ শতক, ৩টি দোকান ও ধর্মরাজের কাছে আরও ৪ শতক জমি বিক্রয় করে ৭৭ লক্ষ টাকা তুলে দেন শেখ আছাফুরের কাছে। ২০১৮ সাল হতে ২০২২ সাল পর্যন্ত ৫ বছরে ব্যবসায় ২ কোটি টাকা লাভ হয়। লাভের অর্ধেক ১ কোটি ও মূলধন ৭৭ লক্ষ মোট ১ কোটি ৭৭ লক্ষ টাকা তার পাওনা হয়। এ পর্যন্ত তিনি ফেরৎ পেয়েছেন ৮৪ লক্ষ টাকা। ব্যবসা বন্ধ হয়ে গেলেও পাওনা ৯৩ লক্ষ টাকা তাকে ফেরৎ দেয়া হয়নি। প্রায় এক বছর আগে শালিস হয়। কিন্তু বকেয়া পাওনা টাকা না দেওয়ায় তিনি অসহায় হয়ে পদেছেন। তিনি পার্টনার আছাফুরের কাছে বারবার ধর্ণা দিলেও নানান টালবাহনা করা হচ্ছে বলে দাবী করেন আঃ গফুর সরদার। দোকান, জমি বিক্রী করে তিনি দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। এব্যাপারে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার আশু হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে। অভিযুক্ত শেখ আছাফুর রহমান বলেন, দুজনের মধ্যে হিসাব নিকাশ হয়েছে। হিসাবে আঃ গফুরের ১৩ লক্ষ টাকা পাওনা ছিল। কয়েকবার শালিস হয়েছে। শালিসে মিটমাট করে স্ট্যাম্প করে দেছে। স্ট্যাম্পে শালিসকারী ও আমাদের দুজনের স্বাক্ষর আছে। কিছু জমি এখনো বিক্রয় সম্পন্ন হয়নি। সব বিষয়ে স্ট্যাম্পে লেখা আছে। তার নামে আনা অভিযোগ সঠিক নয় বলে তিনি দাবী করেন।