হবিগঞ্জের মাধবপুরে একটি মারামারির ঘটনায় এলাকায় না থেকেও মাধবপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বিএনপি মাধবপুর পৌর শাখার সাধারণ সম্পাদক মোঃ আলাউদ্দিন আল রনিকে আসামি করায় জনমনে চরম ক্ষোভ প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। ওই মামলায় সাংবাদিক লিটন পাঠানকেও আসামি করা হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায় গত শুক্রবার (১৬-অক্টোবর)২০২৬ বিকাল ৫টার দিকে পুর্ব মাধবপুর গোলাপ খার বাড়ীর কাছে ওই গ্রামের গনি মিয়ার ছেলে বাদল পাঠান ও কুদ্দুছ মিয়ার ছেলে আলমাসের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে বাদল আহত হয়। এ ঘটনায় তার ভাই উজ্জ্বল পাঠান বাদী হয়ে সোমবার (১৯-অক্টোবর)২০২৬ইং ২৫-জনকে এজাহারভুক্ত সহ অজ্ঞাত আসামি করে মাধবপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। এ বিষয়ে মোঃ আলাউদ্দিন আল রনি বলেন, এ ঘটনার সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। ঘটনার সময় আমি একটি শালিসে ছিলাম। উপজেলা আইন শৃংখলা কমিটির সদস্য হিসাবে এলাকার দাদন ব্যবসা, মাদক ও কিশোর গ্যাং এর বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়ার একটি স্বার্থান্বেষী মহল আমাকে ষড়ষ্ন্ত্র করে মিথ্যা মামলায় আসামী করেছে। মাধবপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি সামসুল ইসলাম কামাল- প্রশাসনের কর্মকর্তারাও জানতেন- ঘটনার সময় আলাউদ্দিন আল রনি ঘটনার সঙ্গে বিন্দুমাত্র জড়িত না। আমি এর তীব্র নিন্দা জানাই এবং মিথ্যা মামলা থেকে তাকে অব্যাহতি দিতে প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানাই। মাধবপুর পৌর বিএনপির সভাপতি গোলাপ খান জানান ওই সময় সে শালিস বিচারে ছিল। আমি এর তীব্র নিন্দা জানাই এবং মিথ্যা মামলা থেকে তাকে অব্যাহতি দিতে প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানাই। মাধবপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি মহিউদ্দিন আহম্মদ জানান সে একজন ১ম সারির সংবাদকর্মী। বিভিন্ন সময় দাদন ও মাদক নিয়ে পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। তাইবলে একটি মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হবে তা আমরা সাংবাদক সমাজ মেনে নিব না। তাই মিথ্যা মামলা থেকে তাকে অব্যাহতি দিতে প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানাই। মাধবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সোহেল রানা বলেন, বাদীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী এজাহার নেওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে তদন্ত ও যাচাই-বাছাই করে প্রকৃত দোষিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।