পাবনা জেলার চাটমোহর পৌর সদরের বালুচর মহল্লায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বসতবাড়ির জায়গা জবরদখলের অপচেষ্টা করা হচ্ছে মর্মে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ওই বাড়িতে বসবাসকারীদের নানাভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। ভুক্তভোগি ফারুক আহমেদ ও মাসুদ রানা অভিযোগে জানান,তার বড় ভাই শামসুজ্জোহা নিঃসন্তান ছিলেন। শামসুজ্জোহা নিজেদের জমিজমার কোন বন্টননামা না করেই চাপে পড়ে তার স্ত্রী মিনা পারভনিকে বসতবাড়ির ৪ শতাংশ জমি রেজিস্ট্রি করে দেন। শামসুজ্জোহার মৃত্যুর পর মিনা পারভীন পুনরায় বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ হন। এক পর্যায়ে তার পূর্বের স্বামীর দেওয়া ৪ শতাংশ জমি বিক্রির উদ্যোগ নেন। বিষয়টি জানার পর শামসুজ্জোহার অপর দুই ভাই মাসুদ রানা ও ফারুক আহমেদ ৪ শতাংশ জমি নিজেরাই কিনে নেবেন বলে মিনাকে প্রস্তাব দেন। কিন্তু মিনা পারভীন এই প্রস্তাব না মেনে গোপনে অন্যত্র জমি বিক্রি করে দেন। বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও মিনা পারভীনের সাথে যোগাযোগ করতে পারেননি মাসুদ ও ফারুক। মিনা পারভীন মাঝে মধ্যেই বিভিন্ন ব্যক্তিকে পাঠিয়ে মাসুদ ও ফারুকের পরিবারকে হুমকি দিচ্ছে। নিরুপায় হয়ে ফারুক আহমেদ আদালতের স্মরণাপন্ন হন। আদালত থেকে বিরোধপূর্ণ জমিতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। আদালতের নিষেধাজ্ঞার পরও বাড়ির জায়গা জবরদখলের অপচেষ্টা করাা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ফারুক আহমেদ। এ বিষয়ে ফারুক আহমেদ বলেন,‘চাকুরির সুবাদে আমরা বাইরে থাকি। তারপরও জমি না কেনার জন্য আমরা সোহেলকে অনুরোধ করেছিলাম। তিনি তা শোনেননি। এখন আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মিনা খাতুন ভূমিদস্যু ও সন্ত্রাসী প্রকৃতির লোকজন দিয়ে বসতবাড়ির এই জায়গা জবরদখলের অপচেষ্টা করছেন। এ বিষয়ে কথা বলার জন্য জমি বিক্রেতা মিনা পারভীনের সাথে যোগাযোগ করে তাকে পাওয়া যায়নি।