বগুড়ায় করোতোয়া গেটলক সার্ভিস সরানোর সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি

এফএনএস (সৌরভ অধিকারী শুভ; শেরপুর, বগুড়া) : | প্রকাশ: ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১১:৪২ এএম
বগুড়ায় করোতোয়া গেটলক  সার্ভিস সরানোর সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি

বগুড়া শহরের যানজট নিরসনের নামে শেরপুর-ধুনট মহাসড়কে চলাচলকারী ‘করতোয়া গেটলক বাস সার্ভিস’ শহরের কেন্দ্রস্থল সাতমাথা থেকে স্থানান্তরের গৃহীত সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি জানিয়েছে শেরপুর-ধুনট মালিক-শ্রমিক যৌথ কমিটি।​শনিবার (৩১ অক্টোবর) বগুড়া জেলা বাস মিনিবাস কোর্স মাইক্রোবাস পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়ন কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই সিদ্ধান্ত পূর্ণ বিবেচনার দাবি  জানান সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ।​সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, সম্প্রতি জেলা প্রশাসকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় এককভাবে করতোয়া গেটলক বাস সার্ভিস সাতমাথা থেকে সরানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অথচ শহরের মূল যানজটের কারণ ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, সিএনজি, স্কুল বাস এবং বিভিন্ন পার্সেল ভ্যান যথাযথভাবে নিয়ন্ত্রণের কথা বলা হলেও বাস্তবে সেগুলো শহরে অবাধে চলাচল করছে। পরিপত্র অনুযায়ী সার্বিক ব্যবস্থাপনা না করে কেবল একটি ঐতিহ্যবাহী পরিবহন সেবাকে নিশানা করা যৌক্তিক নয়।সংবাদ সম্মেলনে আরো উল্লেখ করেন, বিগত ৩০ থেকে ৩৫ বছর ধরে এই করতোয়া গেটলক বাস সার্ভিসটি শেরপুর ও ধুনট উপজেলার হাজার হাজার শিক্ষার্থী, শিক্ষক, আইনজীবী, ব্যাংক কর্মকর্তা ও রোগীদের নিয়মিত যাতায়াত সেবা দিয়ে আসছে। এই সার্ভিসটি হুট করে সাতমাথা থেকে সরিয়ে নিলে সাধারণ যাত্রীদের চরম ভোগান্তির শিকার হতে হবে। পাশাপাশি পরিবহন খাতের বহু মালিক ও শ্রমিক কাজ হারিয়ে বেকার হয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দেবে।


​সংবাদ সম্মেলন থেকে দাবি জানানো হয়, শুধুমাত্র একটি নির্দিষ্ট পরিবহনের স্থান পরিবর্তন না করে শেরপুর, শাহজাহানপুর, ধুনট ও গাবতলী উপজেলার সিএনজিসহ অন্যান্য যানবাহনের জন্য সুনির্দিষ্ট স্ট্যান্ড নির্ধারণ করা হোক।

প্রশাসন যদি এই সিদ্ধান্ত দ্রুত পুনর্বিবেচনা না করে, তবে তারা শেরপুর থেকে করতোয়া গেটলক বাস সার্ভিস সম্পূর্ণ বন্ধ রাখতে বাধ্য হবেন। উদ্ভূত পরিস্থিতির দায়ভার সম্পূর্ণভাবে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে নিতে হবে; মালিক ও শ্রমিক কর্তৃপক্ষ এর কোনো দায়িত্ব নেবে না।

​সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন শেরপুর-ধুনট মালিক-শ্রমিক যৌথ কমিটির আহ্বায়ক বিএইচএম কামরুজ্জামান রাফু, বগুড়া জেলা বাস মিনিবাস কোর্স পরিবহন মালিক সমিতি শেরপুর শাখার সাধারণ সম্পাদক সেলিম রেজা, ভোলা জেলা বাস মিনিবাস কস মাইগো বাস পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি আরিফুর রহমান মিলন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান সহ স্থানীয় বিভিন্ন পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে