রাষ্ট্রীয় শোক দিবসে পায়রা সেতুর টোলপ্লাজায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন না করায় স্থানীয়দের ক্ষোভ

এফএনএস (কাজল বরণ দাস; পটুয়াখালী) : | প্রকাশ: ১ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৬:৪৯ পিএম
রাষ্ট্রীয় শোক দিবসে পায়রা সেতুর টোলপ্লাজায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন না করায় স্থানীয়দের ক্ষোভ

রাষ্ট্রীয় শোক দিবস উপলক্ষে সারাদেশে যখন সরকারি-বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখার নিয়ম পালন করা হচ্ছে, ঠিক সেই সময় পটুয়াখালীর গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা পায়রা সেতুর টোলপ্লাজার প্রশাসনিক ভবনের সামনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন না করায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। গতকাল বেলা আনুমানিক ১১টার দিকে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি পায়রা সেতুর টোলপ্লাজার সামনে থাকা জাতীয় পতাকার স্ট্যান্ডটি পতাকাশূন্য দেখতে পান। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে দৃষ্টিগোচর হলে তারা বিস্ময় ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। রাষ্ট্রীয় শোক দিবসের মতো গুরুত্বপূর্ণ দিনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন না করাকে দায়িত্বে অবহেলা হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা। এ বিষয়ে জানতে চাইলে টোলপ্লাজায় দায়িত্বরতদের সঙ্গে কথা বলতে গেলে আরও বিতর্কের সৃষ্টি হয়। অভিযোগ রয়েছে, টোলপ্লাজার দায়িত্বে থাকা সিস্টেম এনালিস্ট মো. নেছার উদ্দিন ও হিসাব সহকারী মমিন প্রশ্নকারী স্থানীয়দের সঙ্গে অশোভন ও দুর্ব্যবহারমূলক আচরণ করেন। এতে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। স্থানীয়দের দাবি, রাষ্ট্রীয় শোক দিবস কেবল একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়, এটি জাতির ইতিহাস ও আবেগের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ দিনে জাতীয় পতাকা উত্তোলনে গাফিলতি এবং প্রশ্নকারীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছা. ফরিদা সুলতানা বলেন, বিষয়টি তাঁর নজরে এসেছে। তিনি ইতোমধ্যে ঘটনাসংশ্লিষ্ট ছবি ও ভিডিও সংগ্রহ করে জেলা প্রশাসকের কাছে পাঠিয়েছেন। জেলা প্রশাসকের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় তদন্ত ও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন। এদিকে পটুয়াখালী সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী কর্মকর্তা জামিল আক্তার লিমনকে তার মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিলেন তিনি তা রিসিভ করেনি। তবে ঘটনাটি নিয়ে এলাকাজুড়ে আলোচনা ও সমালোচনা চলছে। স্থানীয়রা দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে