জামায়াত নেতা রেজাউল হত্যায় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা গ্রেপ্তার

এফএনএস (শাকিল আহমেদ শাহরিয়ার; শেরপুর) : | প্রকাশ: ৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ১১:৩১ এএম
জামায়াত নেতা রেজাউল হত্যায় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা গ্রেপ্তার

শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি রেজাউল করিম হত্যা মামলায় ঝিনাইগাতী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মাহমুদুল হাসান রুবেলকে (৩৪) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ (ডিবি)। সোমবার রাতে ঝিনাইগাতী উপজেলার বনগাঁও এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার মাহমুদুল হাসান রুবেল ঝিনাইগাতী উপজেলার বনকালী এলাকার গেসু মিয়ার ছেলে। তিনি রেজাউল হত্যা মামলার ৫৫ নম্বর আসামি। শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান ভূঁঞা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন । এদিকে শেরপুর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের পক্ষ থেকে রাতেই একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এর নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়। জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক ও সদস্যসচিব মামলাটিকে মিথ্যা ও বানোয়াট উল্লেখ করে বলেন, ‘এই ধরনের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে আসন্ন নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করা এবং গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে রুদ্ধ করার যেকোনো অপচেষ্টা এদেশের জনগণ কখনোই মেনে নেবে না।’ একই সঙ্গে তারা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা মাহমুদুল হাসান রুবেলের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারসহ অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানান। অপরদিকে নির্বাচনি সহিংসতায় জামায়াত নেতা রেজাউল করিমের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় শেরপুর-৩ আসনের বিএনপির প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেলসহ ৪০ জন নেতাকর্মীকে আগাম জামিন দেয়া হয়। গত সোমবার দুপুরে হাইকোর্টে জামিন আবেদনের শুনানি শেষে প্রধান আসামিসহ ৪০ জন আসামির ৬ সপ্তাহের আগাম জামিন মঞ্জুর করে বিচারপতি কামরুল হোসেন মোল্লা ও বিচারপতি ফয়সাল হাসান আরিফের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ। এই ঘটনায় বিকেলেই মামলার বাদী ও নিহতের স্ত্রী মারজিয়া শেরপুর প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে আসামিদের হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন দেয়ার প্রতিবাদ জানান। গত ২৮ জানুয়ারি ঝিনাইগাতী মিনি স্টেডিয়ামে শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের প্রার্থীদের ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে গুরুতর আহত হন শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি রেজাউল করিম। তাকে ময়মনসিংহে নেওয়ার পথে রাতেই মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় ৩০ জানুয়ারি নিহতের স্ত্রী মারজিয়া ঝিনাইগাতী থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় বিএনপির প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেলকে প্রধান আসামি করে ২৩১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় ৩০০ থেকে ৪০০ জনকে আসামি করা হয়।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে