ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য প্রার্থী ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ্ব মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর নেতৃত্বে বিএনপির গণমিছিলে লাখো জনতার অংশগ্রহনে জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছিল। সোমবার বিকালে বিস্তৃত মিছিলে নারী-পুরুষ সহ জনতার ঢল নেমেছিল। পৌর সভার ৯টি ওয়াড র্ও ১০ ইউনিয়ন থেকে ছাত্রদল, যুবদল, শ্রমিকদল, মহিলা দল, মুক্তিযোদ্ধা দল, তাঁতীদল, তারেক জিয়া প্রজন্মদল, সমবায় দল সহ দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের অংশগ্রহন ও পদভারে, স্লোগানে স্লোগানে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে স্থানীয় আরকে সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠ ও আশপাশের এলাকা। এর আগে মুক্তাগাছা শহরের বিভিন্ন সড়কগুলো লোকে লোকারণ্য হতে থাকে। ব্যানার, প্রতীক সম্বলিত পতাকা, দলীয় পতাকা ও বাদ্যযন্ত্র নিয়ে নানা বয়সীর মানুষেরা মিছিলে অংশ নেয়। মিছিলটি মুক্তাগাছার আরকে উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠ থেকে শুরু হয়ে সাহেববাজারে গিয়ে শেষ হয়। এ সময় রাস্তার উভয় পাশে বহুতল ভবনের ছাদ থেকে হাজার হাজার নারী পুরুষ ধানের শীষের প্রার্থী ও মিছিলকারীদের হাত নেড়ে অভিনন্দন জানান। গণমিছিল পূর্ব আলোচনায় সভায় বক্তব্য রাখেন ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য প্রার্থী ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ্ব মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলু। তিনি বলেন, আজকে লাখো লোকের সমাগমে প্রতীয়মান হচ্ছে ধানের শীষের জোয়ার উঠেছে। আমার প্রস্তুত আছি। ১২ তারিখের জন্য অপেক্ষায় আছি। আমাদের অর্ধেক ভোটার নারী। এই নারীদের জন্য কর্মসংস্থানের সৃ্িট করা হবে। তারেক রহমান ঘোষণা করেছেন আগামী দেঢ় বছরের মধ্যে ১ কোটি বেকার যুবকের চাকরি দিবে। সেটার বড় অংশ মুক্তাগাছায় আসবে। মুক্তাগাছা ভরাট হওয়া খাল-বিল, নদীগুলো আমরা খনন করবো। মুক্তাগাছার রাস্তাঘাট, ব্রীজ-কালভার্ট নির্মাণ করে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ণ করা হবে। মসজিদ-মাদ্রাসায় এতিম খানার উন্নয়ন করা হবে। ইমামদের সম্মাণী ভাতা প্রদান করা হবে। কৃষক ভাইর্দে জন্য কৃষক কার্ডের ব্যবস্থা করে বিশেষ ব্যাবস্থা দেয়া হবে। বাইপাস সড়ক জরুরী ভিত্তিতে সম্পন্ন করে যানজট নিরসন করা হবে। আমরা শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ণ করবো। কেউ যেন শিক্ষা গ্রহনের পর বেকার হয়ে না পড়ে। বিসিক শিল্প নগরী চালু করে শিল্প কারখানা গড়ে তোলা হবে। হাট-বাজারে ড্রেনেজ নির্মাণ করবো সেই সাথে স্বাস্থ্যসম্মত অবস্থা গড়ে তুলবো। এই মুক্তাগাছায় সম্প্রীতির ইতিহাস আছে। সকল ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে আমরা একটা সুন্দর মুক্তাগাছা গড়ে তুলতে চাই। আমরা সব দলের মানুষ এক সাথে চলতে চাই। মুক্তাগাছায় কেউ চাঁদাবাজী করতে পারবে না। আমার বিএনপি ভাইয়েরা মনে রাখবেন, মুক্তাগাছায় কোন চাঁদাবাজী চলবে না। চাঁদাবাজদের কঠোর হস্তে দমন করা হবে। আপনারা ১২ তারিখে ফজরের নামাজ পড়ে কেন্দ্রে লাইনে দাঁড়াবেন। পরে নাস্তা খাবেন। কেন্দ্র থেকে রেজাল্ট নিয়ে আসবেন। সকলকে কথা দিতে চাই। একদিন বিএনপির জন্য কষ্ট করেন। আগামী পাঁচ বছর ইনশাআল্লাহ সকলে মিলেই ভালো থাকবো। মডেল মুক্তাগাছা গড়ে তোলবো। তিনি সকলকে নিয়ে স্লোগান দেন- ক্ষমতার আগে জনতা, সবার আগে বাংলাদেশ। উপজেলা বিএনপির আহবায়ক হাবিবুর রহমান খান রতনের সভাপতিত্বে যুগ্ম আহবায়ক জাহাঙ্গীর হাসানের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন সাবেক সাংসদ এড. আবু রেজা ফজলুল হক বাবলু, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ্সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জাকারিয়া হারুন, পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র শহীদুল ইসলাম শহীদ, সাবেক উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ এখলাছুর রহমান জুয়েল, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক কামরুজ্জামান লেবু, বিএনপি নেতা মাহবুবুল আলম ফরহাদ, পৌর বিএনপির সেক্রেটারী মুর্শিদুজ্জামান খান সাইফুল, সাবেক ছাত্রনেতা ও উপজেলা বিএনপির সদস্য এটিএম ইলিয়াস, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মতিউর রহমান খোকন প্রমূখ।