নির্বাচন পরিচালনার সাথে সম্পৃক্ত সকলের প্রতি অনুরোধ করছি, প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হিসেবে বাংলাদেশ আপনাদেরও। আপনারা ন্যায়নিষ্ঠভাবে দায়িত্ব পালন করবেন। তাহলে জনগণের ভালোবাসা পাবেন, সমর্থন পাবেন এবং জনগণ আপনাদের কাজের প্রতি সম্মান জানিয়ে মূল্যায়ন করবে। কথাগুলো বলেছেন, বরিশাল-২ (উজিরপুর ও বানারীপাড়া) আসন থেকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১১ দলীয় জোট মনোনীত জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা মার্কার সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মাস্টার আব্দুল মান্নান। ১০ ফেব্রুয়ারি রাতে সাংবাদিকদের সাথে আলোচনাকালে তিনি আরও বলেছেন, আমার অতীতের মতো দেখতে চাই না, প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হয়ে কেউ নির্দিষ্ট কারও পক্ষ নেবেন। আমরা কারও আনুকূল্য চাই না, কারও প্রতি আনুকূল্য দেখানো হোক, সেটাও চাই না। এর আগে গত ৯ ফেব্রুয়ারি জামায়াতে ইসলামী বানারীপাড়া উপজেলা শাখার আয়োজনে সরকারি ইউনিয়ন ইনিস্টিউশন (পাইলট) স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাস্টার আব্দুল মান্নান বলেছিলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে আমাকে নির্বাচিত করা হলে বরিশাল-২ আসনকে আধুনিক ও পরিকল্পিত শহরে রূপান্তর করা হবে। ওই উঠান বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বানারীপাড়ার সদ্য জামায়াতে ইসলামীতে যোগদানকারী শিক্ষক নেতা গোলাম মাহমুদ মাহাবুব মাস্টার, শেরে-ই-বাংলা একে ফজলুল হকের নাতনী ও এনসিপি নেত্রী একে ফ্লোরা, বানারীপাড়া উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সভাপতি মো. খলিলুর রহমান শাহাদাত, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মো. খলিলুর রহমান শাহাদাত, সেক্রেটারি জেনারেল মো. মোজাম্মেল হোসেন মোকাম্মেল, পৌর জামায়াতে ইসলামির আমির কাওসার হোসেন, এনসিপির বরিশাল জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আসিফ আলী, জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ তাহিদুলের বাবা আব্দুল মান্নানসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা। ওই উঠান বৈঠকে বানারীপাড়া উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক মো. জালিস মাহমুদ, সৈয়দকাঠী ইউনিয়ন যুবদল নেতা জাকির হোসেন, সদর ইউনিয়ন বিএনপির সহ-প্রচার সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা রুহুল আমিন, সদর ইউনিয়ন বিএনপি নেতা আল আমীনের নেতৃত্বে বিএনপির অর্ধশতাধিক নেতাকর্মীরা আনুষ্ঠানিকভাবে জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেন।