ঋণ পরিশোধ করেই দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলা উচিৎ—তারেক রহমানের উদ্দেশে নাহিদ

এফএনএস প্রতিবেদক: | প্রকাশ: ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ০৬:৫৪ পিএম
ঋণ পরিশোধ করেই দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলা উচিৎ—তারেক রহমানের উদ্দেশে নাহিদ
ছবি, সংগৃহিত

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর বাংলামোটরে দলটির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নির্বাচন পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে উদ্দেশ্য করে বললেন, “ঋণ পরিশোধ করে তারপরই দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলা উচিৎ। কারণ দুর্নীতির প্রতিরোধ আসলে নিজের ঘর থেকে করতে হবে।”

নাহিদ ইসলাম বলেন, “বিএনপির প্রায় ৬২ শতাংশ নির্বাচিত সংসদ সদস্যের কোনো না কোনোভাবে ঋণ রয়েছে, যার পরিমাণ হচ্ছে ১৮ হাজার ৮৬৮ কোটি টাকা। এটা হচ্ছে টিআইবির একটা রিপোর্ট। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা বলছেন, কিন্তু তার নিজের মন্ত্রিসভা এবং সংসদ সদস্য, সেই ঋণ তারা কবে পরিশোধ করবেন, বাংলাদেশের মানুষ জানতে চায়।”

‘জুলাইয়ে যে তারুণ্য শক্তি বাংলাদেশে পথ দেখিয়েছে আমরা তার প্রতিফলন মন্ত্রিসভায় দেখতে পাইনি। প্রায় ৬২ শতাংশ মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী ব্যবসায়ী। এখানে রাজনীতিবিদ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ থাকা উচিত। এই ব্যবসায়ীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ঋণ খেলাপী’-উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি বলেন, “গণঅভ্যুত্থানের পরবর্তী প্রথম নির্বাচন হাজারো শহীদের রক্ত পেরিয়ে আমরা এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছি। আমাদের সবার আকাঙ্ক্ষা ছিল এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ গণতন্ত্রের পথে অগ্রসর হবে। বাংলাদেশের রাষ্ট্র সংস্কারের কাজ সম্পন্ন হবে। ফ্যাসিবাদের বিচার নিশ্চিত হবে। বাংলাদেশ আধিপত্যবাদ থেকে মুক্ত পাবে এবং দুর্নীতিমুক্ত সুশাসন নিশ্চিত করে আমরা একটি সমৃদ্ধ গণতান্ত্রিক এবং অন্তর্ভুক্তি বাংলাদেশ বিনির্মাণের পথে এগিয়ে যাব।”

‘আমরা আশাহত হয়েছি। নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। নির্বাচন প্রক্রিয়া সুষ্ঠু হলেও ফলাফলে কারচুপি হয়েছে। দেশের স্থিতিশীলতার স্বার্থে আমরা এই নির্বাচনের ফলাফল মেনে নিয়ে সামনের দিকে এগোতে দিয়েছি। বাংলাদেশের জাতীয় সংসদকে এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদকে কার্যকর করতে আমরা শপথ গ্রহণ করেছি। কিন্তু বাংলাদেশের জনগণের সাথে, যারা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে গণরায় দিয়েছে তাদের সবার সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে সরকারি দল শপথ গ্রহণ না করে’-যোগ করেন বিরোধী দলীয় চিফ হুইফ।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে