মহিপুর থানা পুলিশ জানায়, ১৯ ফেব্রুয়ারী সকাল সাড়ে ১০টায মহিপুর থানার কুয়াকাটা পৌরসভা এলাকায় কয়েকজন আসামী মিলে দোকান মালিক মোঃ মনির হাওলাদারের কর্মচারী মোঃ হাসানকে মারধর সহ দোকানের ক্যাশ বক্স থেকে কিছু নগদ টাকা নিয়ে যায়। উক্ত ঘটনার পর সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। পরবর্তীতে একই দিন মহিপুর থানায় এজাহার দায়ের হয়। মামলা নং-১০। এ ঘটনায় পুলিশ সুপারের নির্দেশে মহিপুর থানা পুলিশের একাধিক টিম ঘটনাস্থলসহ মহিপুর থানা এলাকার সিসি ফুটেজ সংগ্রহ পূর্বক পর্যালচনা করে মূল আসামীদের সনাক্ত করতে সক্ষম হয়। দোকান মালিক মোঃ মনির হাওলাদার জানায়, কুয়াকাটা পৌরসভাস্থ সীবিচ এলাকায় তার একটি আচারের দোকান আছে। উক্ত দোকানে মোঃ হাসানর (২৬) ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত আছে। ঘটনার দিন মূল আসামী মোঃ মাকসুদ আকন (৩০) এর নেতৃত্বে মোঃ শাহীন মুসুল্লী ও মোঃ রহিম(৩০) সহ অজ্ঞাতনামা ৩/৪ জন আসামীরা মিলে মনির হাওরাদারের দোকানে গিয়ে ম্যানেজার মোঃ হাসানকে দোকান থেকে বের হতে বলে। হাসান দোকান হইতে বের না হওয়ায় আসামীদের সাথে হাসানের কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায় আসামীরা ম্যানেজার হাসানকে লাঠি দিয়ে মারধর করে এবং দোকানের মালামাল ভাংচুর করে। পরবর্তীতে আসামী মোঃ মাকসুদ আকন দোকানের ক্যাশ বক্সের ভিতর হতে নগদ টাকা নিয়ে যায়। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হলে সংবাদ প্রাপ্তির সাথে সাথে মহিপুর থানা পুলিশের একাধিক টিম ঘটনাস্থল হতে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত ও গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন স্থানের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ পূর্বক তা পর্যালোচনা করে আসামী মোঃ মাকসুদ আকন, মোঃ শাহীন মুসুল্লী, মোঃ রহিম দের ঘটনায় সরাসরি সম্পৃক্ত থাকার প্রমান পান। পরবর্তীতে মহিপুর থানার একাধিক টিম অভিযান পরিচালনা করে মূল আসামী মোঃ মাকসুদ আকন কে মহিপুর থানা এলাকা হতে গ্রেফতার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামী মোঃ মাকসুদ আকন উক্ত ঘটনার সহিত জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে।
পটুয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ক্রাইম সাজেদুল ইসলাম জানান, বর্তমানে মামলাটির তদন্ত চলমান রয়েছে এবং এ ঘটনার সাথে অন্য কোন ব্যক্তি বা সহায়তাকারীসহ অন্য কেউ জড়িত আছে কিনা তা নিরূপণে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা সহ যে বা যারাই এই অপরাধে জড়িত থাকুক না কেন, তাদেরকে চিহ্নিত করে গ্রেফতারপূর্বক আইনের আওতায় আনার জন্য জোর প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।