লক্ষ্ণীপুরের চন্দ্রগঞ্জের কামারহাট বাজারে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ১০টি দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে।এতে প্রাথমিক কোটি টাকার বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বাহারের দোকানে থাকা গ্যাস সিলিন্ডার থেকে হঠাৎ বিস্ফোরণ ঘটে। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে এবং পাশাপাশি থাকা দোকানগুলোতে জ্বলতে থাকে। এতে কাপড় দোকান, মুদিদোকান, ইলেকট্রনিক সামগ্রীসহ প্রায় ১০টি দোকানের মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়।খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঘন্টাব্যাপী চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে অগ্নিকাণ্ডের সঠিক কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ পরিমাণ তদন্ত শেষে জানা যাবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কামারহাট বাজারে আলিফ স্টোরের স্বত্বাধিকারী বাহার উদ্দিনের গ্যাসের দোকানে গ্যাসের চুলা মেরামতের সময় হঠাৎ একটি সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়। এতে মুহূর্তের মধ্যেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের দোকানে।
খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালান। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে রাত ৯টা ৪০ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। তবে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করার সময় ফায়ার সার্ভিসের একজন সদস্য আহত হন। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
অগ্নিকাণ্ডে আশপাশের ১০টি দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে যায়।
লক্ষ্ণীপুর ফায়ার সার্ভিসের ষ্টেসন অফিসার রঞ্জিত কুমার সাহা জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বাহারের দোকানে থাকা গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ ঘটে। এতে প্রায় ১০ টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়।তবে এ ঘটনায় কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি।
ঘটনার পর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন।
বর্তমানে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত আছে।