লালমনিরহাটে ষড়যন্ত্রের শিকার ব্যবসায়ী শাহ আলম

মাদক উদ্ধারের ঘটনায় নির্দোষ ব্যক্তিকে জড়িয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদ

এফএনএস (জিন্নাতুল ইসলাম জিন্না; লালমনিরহাট) : | প্রকাশ: ১৬ মার্চ, ২০২৬, ০২:১৮ পিএম
মাদক উদ্ধারের ঘটনায় নির্দোষ ব্যক্তিকে জড়িয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদ

সম্প্রতি লালমনিরহাট জেলা শহরের মিশনমোড় এলাকায় একটি গ্যাস সিলিন্ডারবাহী ট্রাক থেকে ৫ কেজি গাঁজা উদ্ধারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক নির্দোষ ব্যবসায়ী ও সমাজসেবককে সামাজিক ও মানসিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছে। লালমনিরহাট জেলা ট্রাক ও ট্যাঙ্কলরি মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোঃ শাহ আলমকে এই ঘটনার সাথে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে জড়িয়ে ফেসবুক ও কিছু অনলাইন পোর্টালে ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশের ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় উঠেছে। অনুসন্ধানে জানা গেছে, মাদক উদ্ধারের ঘটনায় জব্দকৃত সেই ট্রাকটির প্রকৃত মালিক সদর উপজেলার মোগলহাট ইউনিয়নের জনৈক রফিকুল ইসলাম নামের এক ব্যাক্তি। খোজ নিয়ে জানা তিনি একজন স্বনামধন্য ব্যবসায়ী। তিনিও এরকম জঘন্যতম অপরাধের সাথে জড়িত নন। মুলত তার চালক বারতি সুবিধার জন্য এই মাদক নিয়ে যাচ্ছিলো। পরে  মাদক উদ্ধারের ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় সেই ট্রাকের চালক রাকু মিয়া ও সহকারী লুৎফর রহমানকে অভিযুক্ত করে তাদের নামেই থানায় অভিযোগ নথিভুক্ত হয়েছে। পরবর্তীতে তথ্য অনুযায়ী জানা গেছে সেই গাঁজার মূল মালিক মোগলহাট টেম্পু স্টান্ডের রাশেদ মিয়া। থানায় ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে রফাদফা করে রাশেদ এই মামলা থেকে অব্যাহতি নেয়। আইনগতভাবে প্রকৃত মালিক শনাক্ত হওয়ার পরেও শাহ আলমের মতো একজন পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির মানুষকে জড়িয়ে মিথ্যা তথ্য ছড়ানোকে সুপরিকল্পিত চরিত্রহনন" হিসেবে দেখছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী মহল। স্থানীয়রা জানান, মোঃ শাহ আলম ছাত্রজীবন থেকেই অত্যন্ত পরিশ্রমী এবং মেধাবী। শূন্য থেকে নিজের মেধা ও অক্লান্ত পরিশ্রমে তিনি আজ একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী এবং পরিবহন মালিকদের নেতা হিসেবে জায়গা করে নিয়েছেন। তার এই আকাশচুম্বী সাফল্য ও জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি কুচক্রী মহল দীর্ঘদিন ধরে তার পেছনে লেগে আছে। মূলত তাকে সামাজিকভাবে কোণঠাসা এবং হেও প্রতিপন্ন করতেই এই বানোয়াট ও ভিত্তিহীন অভিযোগটি সামনে আনা হয়েছে। এই মিথ্যাচারের প্রতিবাদ জানিয়ে মোঃ শাহ আলম বলেন, "আমি সারাজীবন সততা আর পরিশ্রম দিয়ে এই অবস্থানে এসেছি। মাদক বা যেকোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সাথে আমার কোনো দূরতম সম্পর্কও নেই। প্রকৃত মালিক কে তা প্রশাসন জানে এবং মামলাও তার বিরুদ্ধে হয়েছে। এরপরেও আমাকে জড়িয়ে যারা অপপ্রচার চালাচ্ছে, তাদের উদ্দেশ্য অত্যন্ত নিচু। আমি এই জঘন্য ষড়যন্ত্রের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি। একজন সৎ ও নিরিহ ব্যবসায়ীকে নিয়ে এ ধরনের মিথ্যা প্রচারণার ফলে সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। এলাকাবাসী এবং পরিবহন সংশ্লিষ্টরা অবিলম্বে এই মিথ্যা সংবাদের সাথে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়েছেন।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে