মানহানি মামলায় ইনু, মেনন ও বিচারপতি মানিকের জামিন

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশ: ২৪ মার্চ, ২০২৬, ০৫:৫৮ পিএম
মানহানি মামলায় ইনু, মেনন ও বিচারপতি মানিকের জামিন

সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্যের অভিযোগে করা মানহানির মামলায় সাবেক মন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, রাশেদ খান মেনন এবং সুপ্রিম কোর্টের সাবেক বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক জামিন পেয়েছেন। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রৌনক জাহান তাকির আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

মামলাটি রাজধানীর কোতোয়ালি থানায় দায়ের করা হয়। অভিযোগে বলা হয়, বিভিন্ন সময় জিয়াউর রহমানকে নিয়ে মানহানিকর মন্তব্য করেন আসামিরা। এসব বক্তব্য টেলিভিশন টক শো, সেমিনার ও বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দেওয়া হয়েছিল বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।

আদালত ও প্রসিকিউশন সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার মামলার দিন ধার্য ছিল। এদিন হাসানুল হক ইনুকে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন থাকায় তাকে আদালতে হাজির করা হয়। অন্য দুই আসামি রাশেদ খান মেনন ও শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিককেও হাজিরার জন্য আদালতে আনা হয়। শুনানি শেষে আদালত ইনুকে এ মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আদেশ দেন।

ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মিয়া মোহাম্মদ আশিস বিন হাছান বলেন, “আজ মামলার দিন ধার্য ছিল। ইনুকে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন ছিল, তাই তাকে আদালতে হাজির করা হয়। অপর দুই আসামিকেও আদালতে আনা হয়। শুনানি শেষে ইনুকে গ্রেফতার দেখানো হয়। পরে তিন আসামির পক্ষে আইনজীবীরা জামিন আবেদন করেন। আদালত শুনানি শেষে তাদের জামিন মঞ্জুর করেন।”

এর আগে ২১ জানুয়ারি একই মামলায় রাশেদ খান মেনন ও শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিককে গ্রেফতার দেখানো হয়। মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২২ সালের ৩ অক্টোবর একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টক শোতে অংশ নিয়ে বিচারপতি মানিক জিয়াউর রহমানকে নিয়ে মানহানিকর বক্তব্য দেন। এর আগেও ২০২১ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি একটি সেমিনারে একই ধরনের মন্তব্য করেন তিনি।

এছাড়া ২০১৩ সালের ১৯ জুলাই ভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে হাসানুল হক ইনু ও রাশেদ খান মেনন জিয়াউর রহমানকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। বিভিন্ন সময়ে জিয়া পরিবার সম্পর্কেও বিরূপ মন্তব্য করার অভিযোগও রয়েছে মামলায়।

মামলাটি দায়ের করা হয় ২০২৪ সালের ২২ আগস্ট। আইনজীবী জিয়াউল হক বাদী হয়ে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন কে তদন্তের নির্দেশ দেন।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে