প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী আজ সোমবার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত প্রবাসী মামুনের মরদেহ গ্রহণ করার পর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করার পর সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খোলার চেষ্টা করছি এবং সিন্ডিকেট মুক্ত রাখার চেষ্টা করা হবে।
তিনি জানান, সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত সাত জনের মধ্যে এ পর্যন্ত ৫ জনের মরদেহ দেশে এসেছে। তিন লাখ টাকা আর্থিক সহযোগিতা দেয়া হচ্ছে তাদের পরিবারকে।
২০ বছর বয়সে পরিবারের হাল ধরতে পাড়ি জমান সৌদি আরবে। দীর্ঘ ১৫ বছরের প্রবাস জীবন ছিল তার। একটাই লক্ষ্য ছিল পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোও। কিন্তু সেই স্বপ্নই রয়ে গেল অপূর্ণ। ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার ভরভরা গ্রামের আবদুল্লাহ আল মামুন এবার দেশে ফিরলেন লাশ হয়ে।
পরিবার জানায়, ঈদুল ফিতরের এক মাস পর দেশে ফিরে নতুন বাড়ি নির্মাণের পরিকল্পনা ছিল তার।
গত ৮ মার্চ ইফতারের আগ মুহূর্তে সৌদি আরবের আল খারজ এলাকায় একটি শ্রমিক ক্যাম্পে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় গুরুতর আহত হন মামুন। শরীরের প্রায় ৮০ শতাংশ পুড়ে যায় তার। রিয়াদে চিকিৎসাধীন অবস্থায় লাইফ সাপোর্টে থাকার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।