আবারও বাবুগঞ্জে অবৈধভাবে বিপুল পরিমাণ মজুদ করা তেল জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ ঘটনায় এক ব্যবসায়ীকে জরিমানা করা হয়েছে। রোববার (১২ এপ্রিল) বিকেল প্রায় ৫টার দিকে উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়নের ক্ষুদ্রকাঠী এলাকায় একটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে ২ হাজার ৬ শত লিটার ডিজেল জব্দ করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কামরুন্নাহার তামান্না। ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মোল্লা এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো. সিদ্দিকুর রহমান মোল্লা কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির লক্ষ্যে অবৈধভাবে বিপুল পরিমাণ ডিজেল মজুদ করে রেখেছিলেন। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। এ সময় তাকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। পাশাপাশি তার প্রতিষ্ঠানে মজুদ করা ২ হাজার ৬ শত লিটার ডিজেল জব্দ করা হয়। জব্দকৃত তেল সরকারি নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করে প্রাপ্ত অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগে গত ৩১ মার্চ বাবুগঞ্জের লোহালিয়া এলাকা থেকেও অবৈধভাবে মজুদ করা প্রায় ৬০০ লিটার তেল জব্দ করেছিল ভ্রাম্যমাণ আদালত। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কামরুন্নাহার তামান্না জানান, জনস্বার্থবিরোধী এমন কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। অবৈধ মজুদ ও কৃত্রিম সংকট সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও তিনি সতর্ক করেন।
আবারও বাবুগঞ্জে অবৈধভাবে বিপুল পরিমাণ মজুদ করা তেল জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ ঘটনায় এক ব্যবসায়ীকে জরিমানা করা হয়েছে। রোববার (১২ এপ্রিল) বিকেল প্রায় ৫টার দিকে উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়নের ক্ষুদ্রকাঠী এলাকায় একটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে ২ হাজার ৬ শত লিটার ডিজেল জব্দ করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কামরুন্নাহার তামান্না। ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মোল্লা এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো. সিদ্দিকুর রহমান মোল্লা কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির লক্ষ্যে অবৈধভাবে বিপুল পরিমাণ ডিজেল মজুদ করে রেখেছিলেন। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। এ সময় তাকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। পাশাপাশি তার প্রতিষ্ঠানে মজুদ করা ২ হাজার ৬ শত লিটার ডিজেল জব্দ করা হয়। জব্দকৃত তেল সরকারি নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করে প্রাপ্ত অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগে গত ৩১ মার্চ বাবুগঞ্জের লোহালিয়া এলাকা থেকেও অবৈধভাবে মজুদ করা প্রায় ৬০০ লিটার তেল জব্দ করেছিল ভ্রাম্যমাণ আদালত। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কামরুন্নাহার তামান্না জানান, জনস্বার্থবিরোধী এমন কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। অবৈধ মজুদ ও কৃত্রিম সংকট সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও তিনি সতর্ক করেন।