কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর, নিকলী, কুলিয়ারচর, অষ্টগ্রাম, মিঠামইন ও ইটনা উপজেলার হাওড় অঞ্চলের সাধারণ মেহনতি, শ্রমজীবি ও কৃষকগণ শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে এসব মানুষদের কোন কম্বল ও গরম কাপড় দেওয়া হচ্ছে না বলে অনেকের অভিযোগ। গতকাল বুধবার সকাল ৯ টায় নিকলী আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, সপ্তাহ জুড়ে শীতের কনকনে ভাব বিরাজ থাকবে বলে তারা জানিয়েছেন। গতকাল সকাল ৯ টায় নিকলী আবহাওয়া অফিস শীতের তাপমাত্রা রেকর্ড করেছেন ৯.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও বাতাসের আদ্রতা ১০০%। গতকাল বুধবার ও গত মঙ্গলবার বিভিন্ন হাসপাতাল ও ক্লিনিক ঘুরে দেখা গেছে, শিশু ও বৃদ্ধরা নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট জনিত রোগ, ডাইরিয়াসহ বিভিন্ন আক্রান্ত হচ্ছে। এসব হাসপাতালে রোগীদের উপছেপড়া ভিড় দেখা গেছে। হাসপাতালগুলোতে শীত জনিত ঔষদের সংখ্যা একেবারে কম রোগীদেরকে বাহির থেকে ঔষধ কিনে এনে সাধারণ চিকিৎসা গ্রহণ করতে হচ্ছে। তাদের অভিযোগ সরকারি হাসপাতালগুলোতে সিটের অবস্থা খুবই খারাপ। কয়েকজন ভর্তি জনিত রোগীরা বলেন, হাসপাতাল আছে ঠিকই কিন্তু প্রতিটি হাসপাতালে ২-৩ জন ডাক্তার রয়েছে। তাদের সেবার মান একেবারেই নিম্ন ধরনের। বাহিরের ক্লিনিক অথবা ডাগনস্টিক সেন্টার থেকে বিভিন্ন রোগীদেরকে দেখাতে গিয়ে নিম্ন আয়ের মানুষরা সর্বশান্ত হওয়ার পথে বসার উপক্রম হচ্ছে। বাজিতপুর স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা শামসুস সালেহীন বলেন, ডাক্তার না থাকার কারণে রোগীদের সেবা দিতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে। তিনি বলেন, ঔষধের রিজার্ভ একেবারে সীমিত বলে উল্লেখ করেন।