কেশবপুর উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা বিদ্যালয়ে উপস্থিত স্বাক্ষর দিয়ে পাঠদান বন্ধ রেখে যশোর জেলা শিক্ষা অফিসার মো ঃ আশরাফুল আলমের মুক্তির দাবিতে যশোরে আন্দোলনে শরীক হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন বিষয় টি জানেন না জানিয়েছেন,পাশাপাশি বিষয়টি তদন্ত করবেন বলে জানান। দুদকের অভিযানে ঘুষের টাকা সহ আটক হন যশোর জেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ আশরাফুল আলম,বর্তমানে তিনি কারাগারে। এ দিকে কেশবপুর উপজেলার চার শতাধিক শিক্ষক বিদ্যালয়ে উপস্থিত স্বাক্ষর দিয়ে বাস যোগে জেলা শহরে আন্দোলন করতে যান। যা নিয়ে অভিভাবক সহ সচেতন মহলে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। পত্রিকায় নাম না প্রকাশের শর্তে কয়েকজন শিক্ষক বলেন, আমরা যশোর গিছি ৭ খানা বাসে,এখানে শিক্ষা অফিসার ও এটিও সাহেবরাও ছিলেন। এ বিষয় উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার নজরুল ইসলাম এর ০১৭১৮৮৯৭৬ ৫৬ নম্বর মুঠোফোনে কয়েক বার বক্তব্য নেয়ার জন্য কল দেওয়া হলেও তিনি রিসিভ না করায় বক্তব্য প্রকাশ করা সম্ভব হয়নি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেকসোনা খাতুন বলেছেন, বিষয় টি তিনি জানেন না এরকম ঘটনা ঘটেছে কিনা তদন্ত করে দেখছি। এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয় টি প্রচার হওয়ায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন সকলে।