চাঁদপুর নৌ পুলিশ অঞ্চলের তৎপরতায় চুরি হওয়া স্পিডবোট উদ্ধারসহ মূল আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। নৌ পুলিশের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করে জানানো হয়, চাঁদপুর সদর মডেল থানার মামলা নং-৬৭/১১৭১, তারিখ-২২/১১/২০২৫ খ্রি., ধারা-৩৭৯/৩৪ এবং সংযুক্তি ধারা-৩৯৫/৩৯৭ পেনাল কোডে রুজুকৃত একটি স্পিডবোট চুরির ঘটনায় চাঁদপুর নৌ পুলিশ অঞ্চলের ধারাবাহিক ও সমন্বিত অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য অর্জিত হয়েছে। উক্ত মামলায় গত ১৫/০১/২০২৬ খ্রি. হতে ১৬/০১/২০২৬ খ্রি. পর্যন্ত পুলিশ সুপার, নৌ পুলিশ, চাঁদপুর অঞ্চল নির্দেশনায় সহকারী পুলিশ সুপার, নৌ পুলিশ, চাঁদপুর অঞ্চল এবং অফিসার ইনচার্জ, চাঁদপুর নৌ থানার নেতৃত্বে সাব-ইন্সপেক্টর (নিরস্ত্র)সুফল চন্দ্র সিংহ ও চাঁদপুর নৌ থানা ফোর্স সমন্বয়ে একটি অভিযানিক দল গঠন করা হয়। অভিযানে চাঁদপুর নৌ থানা, সিদ্ধিরগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ), ঢাকা ও সাভারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের একপর্যায়ে গত ১৬/০১/২০২৬ খ্রি. তারিখ বিকাল আনুমানিক সাড়ে তিনটার সময় নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকা হতে মামলার তদন্তে প্রাপ্ত মূল আসামী মো. আব্দুল কাদের (২৬), পিতা-আমিন গাজী ওরফে শামিম গাজী, সাং-কালিরচর, থানা ও জেলা-মুন্সিগঞ্জকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই দিন বিকাল আনুমানিক ৫.১০ টায় ঢাকা জেলার সাভার থানাধীন শ্যামলাপুর এলাকায় বুড়িগঙ্গা নদীর সংলগ্ন তাহা ব্রিকস ফিল্ডের দক্ষিণ পাশে খালের মধ্যে অভিযান পরিচালনা করে চোরাই যাওয়া ২০০ সিসি আকাশী ও সাদা রংয়ের একটি স্পিডবোট (ইঞ্জিন: ইয়ামাহা জাপান ২০০অঊঞ, ইঞ্জিন নং-৬এ৬ঢ১০৭০৫১২, দৈর্ঘ্য-২৬ ফুট, প্রস্থ-৬.৫০ ফুট, ফাইবার নির্মিত চ্যালেঞ্জার বডি), যার আনুমানিক মূল্য ১৬,০০,০০০/- টাকা, সাক্ষীদের উপস্থিতিতে জব্দমূলে উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আসামী ও তার সহযোগীরা একটি সংঘবদ্ধ চুরি ও ডাকাতি চক্রের সক্রিয় সদস্য। উদ্ধারকৃত স্পিডবোটটি মামলার গুরুত্বপূর্ণ আলামত হিসেবে জব্দ করা হয়েছে এবং অন্যান্য পলাতক আসামীদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামীকে শনিবার জানুয়ারি (১৭ জানুয়ারি) চাঁদপুর অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালতে প্রেরণ করা হলে আদালত তাকে কারাগারে প্রেরনের নির্দেশ দেয়। চাঁদপুর নৌ পুলিশ অঞ্চল নদীপথে সংঘটিত সকল প্রকার অপরাধ দমনে সর্বদা তৎপর রয়েছে এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান জোরদার থাকবে।