কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার সিরাজ নগর গ্রামের আবুল কাশেমের পুত্র ফ্যাসিবাদ মোঃকামাল হোসেন ৩৫ তম বিসিএসে তার চাচা মুক্তিযোদ্ধা আহসান হাবিব কে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় পিতা সাজিয়ে চাকরি নেয়। দেশের বেশ কয়েকটি স্থানে ইউএনও হিসেবে দায়িত্ব পালন করে এবং বিভিন্নভাবে দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ে। যেখানেইতিনি চাকরিতে যোগদান করেন সেখানেই মানুষের সাথে তার বিভিন্নভাবে গোল যোগ সৃষ্টি হয়। সর্বশেষ চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচলের ইউএনও হিসাবে চাকুরীরত অবস্থায় বিভিন্ন অপকর্মে জড়িয়ে পড়ে। কামাল হোসেন বিভিন্ন জায়গায় জমি জমা সহ বিপুল পরিমাণ সম্পদের পাহাড় গড়ে তোলেন। সাম্প্রতিক কালে ভুয়া ইউএনও কামাল হোসেন তা নিজ এলাকা দৌলতপুরে বিএনপির সম্পর্কে অশালীন আচরণ করেন পুরুষই পণ্য কথাবার্তা বলেন বলে এলাকাবাসীর অভিযোগে প্রকাশ। চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের সাংবাদিক শরীফ বিশ্বাস সহ বেশ কিছু সাংবাদিককে মারপিট করে রক্তাক্ত জখম করে আহত করে তার পোষ্য ক্যাডার বাহিনী। এ ব্যাপারে দৌলতপুর থানায় মামলা দায়ের করা হয় যার মামলা নং,৬৫/২৪ তারিখঃ১৫/০২/২০২৪ইং এ ছাড়াও তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে তার বিরুদ্ধে। অভিযোগে প্রকাশ ভুয়া ইউ এন ও কামাল হোসেন তার জন্ম নিবন্ধন সহ নবম শ্রেণী থেকে তার সবগুলো সনদপত্রে আসল পিতা মাতার নাম বাদ দিয়ে চাচা চাচির নাম ব্যবহার করেছেন।তিনি তার ডিএনএ টেস্ট করতে আপত্তি জানিয়েছেন। সর্বশেষ এ দুর্নীতিবাজ, ফ্যাসিবাদ সমর্থক মোঃ কামাল হোসেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সিনিয়র সজীব হিসেবে কর্মরত ছিলেন। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এর মামলায় ২৮ জানুয়ারি আদালতে জামিন নিতে এলে আদালত তাকে জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণ করে বলে দুদকের মহাপরিচালক আক্তার হোসেন জানিয়েছেন। ভুয়া ও দুর্নীতিবাজ বিসিএসক্যাডারমোঃকামাল নিজ এলাকা দৌলতপুরের সিরাজনগর গ্রামের বাসিন্দারা জানান কামাল হোসেনের চাচা আহসান হাবিব ও ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা।এলাকাবাসী তার বিরুদ্ধেও তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ দাবি করেছে।