সেনবাগে স্বামীর কথা না শুনে

ধানের শীষে ভোট দেওয়ায়, স্ত্রী ৩ সন্তানের জননীকে তালাক

এফএনএস (মোঃ জাহাঙ্গীর আলম; সেনবাগ, নোয়াখালী) :
| আপডেট: ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ০৭:০৬ পিএম | প্রকাশ: ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ০৩:০৮ পিএম
ধানের শীষে ভোট দেওয়ায়, স্ত্রী ৩ সন্তানের জননীকে তালাক

সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী ২ (সেনবাগ-সোনাইমুড়ী আংশিক) আসনের সেনবাগ উপজেলার ২ নং কেশারপাড় ইউনিয়নের স্বামী মোঃ ইদ্রিসের (৪০) এর প্রচন্দের ম্বতন্ত্র প্রার্থীর কাপ-পিরিচ মার্কায় ভোট না দিয়ে বিএনপির ধানের শীষ মার্কায় ভোট দেওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে স্ত্রী তিন সন্তানের জননী ফাতেমা বেগম ( ২৭) কে তালাক দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে পুরো এলাকায় দারুণ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। থাদের তিন সন্তান রয়েছে এরা হছ্ছে বিবি মরিয়ম,নাসরিন জাহান মীম ও মোঃ ইসমাইল। জানাগেছে, গত ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে (নোয়াখালী ২ সেনবাগ সোনাইমুড়ী আংশিক) আসনে সেনবাগ উপজেলার ২ নং কেশারপাড় ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের দক্ষিন কেশারপাড়  আকল  আলী মজুমদার বাড়ির মোঃ রফিকের ছেলে মোঃ ইদ্রিস স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী মফিজুর রহমান কাপ পিরিচ মার্কার ভোট করে। ভোটের দিন স্বামী মোঃ ইদ্রিস স্ত্রী ফাতেমা বেগমকে কাপ পিরিচ মার্কায় ভোট দেওয়ার জন্য কেন্দ্রে পাঠায়। কিন্তু ফাতেমা কেন্দ্রে গিয়ে কাপ পিরিচ মার্কায় ভোট না দিয়ে ধানের শীষ মার্কায় ভোট দেন। সে ভোট দিয়ে কেন্দ্রে থেকে বাহির হয়ে বাড়িতে পৌছলে স্বামী তাকে জিজ্ঞেসা করেন কাপ পিরিচ মার্কায় ভোট দিয়েছে কিনা। প্রতি উত্তরে স্ত্রী বলেন না সে ধানের শীষ মার্কায় ভোট দিয়েছে এতে সে স্ত্রীর ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে স্ত্রীকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের হয়ে যায়।  এরেই মধ্যে ভোট গননা শেষে দেখা যায় কাপ পিরিচ মার্কার প্রাথী পরাজিত হয়। তিনদিন পর রবিবার সে বাড়িতে ফিরেএলে স্ত্রী সন্ধ্যায় অসুস্থ মেয়েক ডাক্তার দেখানোর জন্য স্বামী মোঃ ইদ্রিসকে সে ক্ষিপ্ত হয়ে স্ত্রীকে বলে তুই যাকে ভোট দিয়েছিস ওই বাপদের নিকট থেকে টাকা নিয়ে চিকিৎসা করা। এক পর্যাযে সে স্ত্রীকে তালাক দিয়ে দেয়। বর্তমানে তালাক প্রাপ্ত স্ত্রী তার পিতার বাড়ি কেশারপাড় ৭নং ওয়ার্ডে অবস্থান করছে। তালাকের বিষয়টি ফাতেমা বেগম নিজে জনকণ্ঠে নিশ্চিত করেন। এব্যাপারে অভিযুক্ত মোঃ ইদ্রিসের মুঠোফোনে একাধিক বার ফোন দেওয়া হলেও ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায় এ কারণে তান বক্তব্য নেওয়া সম্বভ হয়নি। তবে,সরেজমিনে তার বাড়িতে  গেলে ইদ্রিসের পিতা মোঃ রফিক বলেন, ভোট নিয়ে তালাকের ঘটনা ঘটেনি। তবে,তৃতীয় বিয়ে করায় ও মাদকাক্ত হয়ে পড়ার কারনে সাংসারিক ঝড়গার জেরে ওই তালাকের ঘটনাটি ঘটেছে এব্যাপারে যোগাযোগ করলে সেনবাগ থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মোঃ আবুল বাশার বিষয় কেউ থানায় অবহিত করেনী বলে জানান।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে