শেরপুরে আবাদি জমিতে অবৈধ পুকুর, প্রশাসন নিরব

এফএনএস (সৌরভ অধিকারী শুভ; শেরপুর, বগুড়া) : | প্রকাশ: ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ০৪:১১ পিএম
শেরপুরে আবাদি জমিতে অবৈধ পুকুর, প্রশাসন নিরব

বগুড়ার শেরপুর উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের খোট্টাপাড়া গ্রামে অবৈধভাবে আবাদি জমির শ্রেণি পরিবর্তন করে পুকুর খননের অভিযোগ উঠেছে। দিনে-রাতে খনন করা মাটি ড্রাম ট্রাকে করে বহনের কারণে গ্রামীণ সড়ক ভেঙে জনদুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে। সরেজমিনে দেখা যায়, শেরপুর পৌরশহর থেকে ৬ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত খোট্টাপাড়া গ্রামে গত দুই মাস ধরে প্রায় ১২ বিঘা জমিতে পুকুর খনন চলছে। ড্রাম ট্রাক চলাচলের কারণে সাধুবাড়ি থেকে ঘোলাগাড়ি পর্যন্ত দেড় কিলোমিটার পাকা সড়কের পিচ-পাথর উঠে গেছে এবং খোট্টাপাড়া গ্রামের এক কিলোমিটার ইটের রাস্তাও ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এলজিইডি জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক মেরামতে অন্তত পৌনে দুই কোটি টাকা প্রয়োজন। স্থানীয়দের অভিযোগ, দিন-রাত ট্রাক চলাচলের শব্দ ও ধুলোয় জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত। একটি কালভার্ট ভেঙে যাওয়ায় বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতার আশঙ্কা করছেন তারা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক যুবক জানান, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ অভিযোগ করেও কোনো প্রতিকার মেলেনি। অভিযুক্ত মৎস্যচাষি মো. মাসুদ দাবি করেন, তিনি নিজের জমিতে মাছ চাষের জন্য পুকুর খনন করছেন এবং প্রশাসন তাকে বাধা দেয়নি। তবে মির্জাপুর ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা স্বপ্না পারভিন জানিয়েছেন, তিনি বিষয়টি এসিল্যান্ডকে অবহিত করেছেন। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, এর আগে অভিযান চালিয়ে দুটি ব্যাটারি জব্দ করা হয়েছিল। নতুন করে লিখিত অভিযোগ পেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এম. আব্দুল্লাহ ইবনে মাসুদ জানান, আবাদি জমির শ্রেণি পরিবর্তন আইনত দণ্ডনীয়। অনুমোদনহীন এই কাজের বিরুদ্ধে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে