পাবনার চাটমোহরে এলাকার অধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের গুলিতে দু’জন দিনমজুর আহত হয়েছেন। গুরুতর আহতাবস্থায় দু’জনকেই রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গুলির এই ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দিবাগত রাত ৮টার দিকে উপজেলার মূলগ্রাম ইউনিয়নের সন্ত্রাস কবলিত খতবাড়ি গ্রামের লালনমোড়ের একটি চা স্টলে। আহতরা হলেন ওই গ্রামের রমজান আলীর ছেলে সাজেদুর রহমান ও রেজাউল করিমের ছেলে নাঈম উদ্দিন। এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে,গ্রামের লোকজন যখন তারাবি নামাজের জন্য মসজিদে যাচ্ছিলেন,তখনই একদল চিহ্নিত সন্ত্রাসী ঘটনাস্থলে এসে প্রতিপক্ষের লোকজনকে খুঁজতে থাকে। এক পর্যায়ে জামাল নামের একজনকে দেখামাত্র ২/৩ রাউন্ড গুলি ছোঁড়ে। কিন্তু গুলি জামালের শরীরে না লেগে সেখানে বসে থাকা ওই দুই দিনমজুরের শরীরে লাগে। এরমধ্যে সাজেদুরের পেটে ও নাইমের হাতে গুলি লেগেছে। গুলির শব্দে পাশের মসজিদের মুসুল্লি ও গ্রামবাসীর মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। লোকজন বেরিয়ে এলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে চাটমোহর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে এসে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে রাজশাহীতে স্থানান্তর করা হয়েছে। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে যায় এবং স্থানীয় লোকজনের সাথে কথা বলেন। মূলগ্রাম ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ গিয়াস উদ্দিন জানান,মূলত জামালকে উদ্দেশ্য করেই গুলি করা হয়। কিন্তু সে বেঁচে গেলেও তার পাশের দু’জন গুলিবিদ্ধ হয়। তার বক্তব্য,যারা গত নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ঘোড়া প্রতীকের নির্বাচন করেছে,তারাই এর সাথে জড়িত। বিশেষ করে এলাকার গোলাপের ছেলে মিরাজ ও আনোয়ার মেম্বার এরসাথে জড়িত। এরা আমার লোকজনকে হত্যার হুমকি দিয়েছে। এদেরকে গ্রেফতারের দাবি জানান তিনি। চাটমোহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম সরোয়ার হোসেন জানান,খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। কে বা কারা গুলি করেছে,তা কেউ বলতে পারছেনা। আহতদের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আমরা সন্ত্রাসীদের চিহ্নিত করে দ্রুতই আইনের আওতায় আনতে পারবো।