সুজানগরে চরাঞ্চলের মানুষের মাঝে নেই ঈদের আনন্দ

এফএনএস (সুজানগর, পাবনা) : | প্রকাশ: ১৪ মার্চ, ২০২৬, ০৩:৫৫ পিএম
সুজানগরে চরাঞ্চলের মানুষের মাঝে নেই ঈদের আনন্দ

আসন্ন ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে পাবনার সুজানগরের অধিকাংশ ধনী-দরিদ্র পরিবারে ঈদের আনন্দ ও উৎসবের আমেজ বইছে। ওই সকল পরিবারের সদস্যরা নতুন জামা-কাপড় এবং নামি-দামি খাবারসহ অন্যান্য পণ্য কিনে ঈদ আনন্দে মেতে উঠেছেন। কিন্তু উপজেলার নাজিরগঞ্জ এবং সাগরকান্দী ইউনিয়নের চরাঞ্চলের মানুষের মাঝে নেই ঈদের আনন্দ ও উৎসবের আমেজ। বিশেষ করে চরাঞ্চলের চরকেষ্টপুর, চরপদ্মা, চরখাপুর, চরশ্রীপুর, চরচন্ডিপুর, রামকান্তপুর, চরখলিলপুর ও হুগলাডাঙ্গী গ্রামের মানুষের মাঝে নেই ঈদের আনন্দ। ওই সকল গ্রামের মানুষ অত্যন্ত অভাবী। তাছাড়া দীর্ঘ অনাবৃষ্টির কারণে এ বছর চরাঞ্চলের জমিতে আবাদ করা পেঁয়াজ ও সরিষাসহ অন্যান্য ফসলও তেমন ভাল হয়নি। পাশাপাশি চরাঞ্চলে রাস্তা-ঘাট না থাকায় ব্যবসা-বাণিজ্যেরও তেমন কোন সুযোগ-সুবিধা নেই। সেই সঙ্গে ওই সকল গ্রামগুলো পদ্মা নদীর কারণে মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন। সেকারণে সরকারি বা বে-সরকারি তেমন কোন ত্রাণসামগ্রীও গ্রামগুলোতে পৌঁছায়না। বলা যায় ওই সকল গ্রামের মানুষ সব সময় সরকারি সকল সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত থাকেন। চরশ্রীপুর গ্রামের বাসিন্দা রমজান আলী বলেন চরাঞ্চলের বেশিভাগ মানুষ অভাবী। তারা প্রতিনিয়ত অভাবের সাথে পাল্লা দিয়ে দিনাতিপাত করেন। ফলে তাদের কাছে ঈদ আনন্দ বলে কিছু নেই। এ ব্যাপারে নাজিরগঞ্জ ইউপি’র সাবেক চেয়ারম্যান হাজারী জাকির হোসেন চুন্নু বলেন চরাঞ্চলের ওই সকল গ্রাম গুলো পদ্মা নদীর কারণে মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন। তাছাড়া গ্রাম গুলোতে যাতায়াতের তেমন রাস্তা-ঘাটও নেই। সেকারণে ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও ওই সকল গ্রামের মানুষকে সাহায্য সহযোগিতা করা সম্ভব হয়না। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর রাশেদুজ্জামান বলেন চরাঞ্চলের ওই সকল গ্রাম উপজেলার মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন। কিন্তু তার পরও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে সেখানে কম বেশি সরকারি সহযোগিতা পোঁছানো হয়।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে