কৃষাণ-কৃষাণীরা ধান তোলা নিয়ে ব্যস্ত

কিশোরগঞ্জের হাওরে ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা

এফএনএস (মহিউদ্দিন লিটন; হাওর অঞ্চল, কিশোরগঞ্জ) :
| আপডেট: ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ০৯:১২ পিএম | প্রকাশ: ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ০৯:১২ পিএম
কিশোরগঞ্জের হাওরে ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা

কিশোরগঞ্জের হাওর অধ্যুষিত হাওর গুলোতে গত কয়েকদিন ধরে ধান তোলা নিয়ে কৃষাণ-কৃষাণীরা তাদের মাঠে ধান তোলা নিয়ে ব্যস্ত। হাওর অধ্যুষিত এলাকাগুলো হলো: বাজিতপুর, নিকলী, কুলিয়ারচরের একাংশ, অষ্টগ্রাম, মিঠামইন ও ইটনা। গত বছরের তুলনায় এবছর ধানের ফলন বাম্পার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।  তবে কৃষকরা সুদে টাকা, বিভিন্ন এনজিও এবং মহাজনী প্রথা টাকা নিয়ে তাদের জমি করতে গিয়ে অর্ধেক গোলা খালি হয়ে যায়। যা কৃষকের ঘাড়ে এসে ঋণের প্রথা চলে আসে। অথচ কৃষক তার কায়িক পরিশ্রম করেও লাভবান হতে পারে না। এবছর চৈত্রের মাঝামাঝিতে ধানের মেশিন দিয়ে প্রতি একর ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকায় প্রতি একর ধান কাটছে। কিছু কিছু হাওরের জমি মজুরদের ১০০০ টাকা দৈনিক দিতে হয়। এর ফলে কৃষকের যে মণ প্রতি ১০০০ টাকা ধান বিক্রি করতে হয় তা লাভবান হওয়ার দূরের কথা তাদের আর কিছুই থাকে না। থাকে শুধু বছরের চাউল খাওয়ানো ছাড়া আর কিছুই লাভ নেই। এটি নিয়েই তাদের সন্তুষ্ট থাকতে হয়। সরেজমিন খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঘরে যে ধান থাকে সে ধান দিয়ে ছেলে মেয়ের লেখাপড়া করাতে গিয়ে কৃষক আবার ঋণের ঘাড়ে পড়া ছাড়া আর কিছুই থাকে না। প্রাচীনকালের একটি কথা আছে, গোলাভরা ধান, আর গোয়ালভরা গরু, এটি শুধু গল্পের মতোই মনে হয়। কৃষক এখন প্রায়ই ঋণের মধ্যেই থাকে। নিকলী উপজেলার কৃষক হারুন মিয়া জানান, তিনি এবছর দুই একর ধানের চাষ জমি চাষ করেছেন। এই দুই একরে তার ১৬০ থেকে ১৭০ মণ ধান ঘরে এসেছে। ঋণ করে তাকে এই দুই একর জমি চাষ করতে হয়েছে। তবে তিনি কিছুটা লাভের চোখ দেখবেন বলে উল্লেখ করেন। বাজিতপুর উপজেলা কৃষি অফিসার বলেন, বাজিতপুর এবছর ইরি বোরো ধান, হাইব্রিড ধানের ফলন বাম্পার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে উল্লেখ করেন।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে