গত ৩০ মার্চ বিকেলে আসামি হাসিবুর রহমান অন্তর (৪০) এবং আসামি মোঃ বরকত মুন্সী (৩৪) সহ অপরাপর আসামিগণ রাজবাড়ী জেলার পাংশা থানাধীন ˆমশালা বাসস্ট্যান্ডে বাসের জন্য অপেক্ষামান ভিকটিমকে একটি মাইক্রোবাসে করে উঠিয়ে নিয়ে সংঘবদ্ধভাবে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে পালাক্রমে ধর্ষণ করে ভিকটিমকে অসুস্থ্য অবস্থায় কুষ্টিয়া সদর থানা এলাকায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় ভিকটিম নিজেই রাজবাড়ী জেলার পাংশা থানায় অভিযোগ দায়ের করলে পাংশা থানার মামলা নং- ৬২, তারিখ- ০১/০৪/২০২৬ ধারা- নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ এর ৭/৯(৩) রুজু হয়| উক্ত মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সংঘবদ্ধ ধর্ষণে জড়িত আসামিদের আইনের আওতায় নিয়ে আসার লক্ষ্যে অধিনায়ক, র্যাব-১০, ঢাকা বরাবর একটি অধিযাচনপত্র প্রেরণ করেন। উক্ত অধিযাচনপত্রের ভিত্তিতে র্যাব-১০ এর একটি আভিযানিক দল আসামিদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার ১৪ এপ্রিল বিকেলে র্যাব-১০, সিপিসি-৩, ফরিদপুর ক্যাম্পের এর একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ও তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় এবং র্যাব-১২ এর সহযোগিতায় কুষ্টিয়া জেলার সদর থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে উল্লেখিত সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ মামলার এজাহারনামীয় ০২ (দুই) জন প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত আসামিদ্বয়ের নাম ১। হাসিবুর রহমান অন্তর (৪০), পিতা- হাবিবুর রহমান রাজা, সাং-কুলাটিয়া এবং ২। মোঃ বরকত মুন্সী (৩৪), পিতা- মোঃ তায়জাল মুন্সী, সাং- পারনারায়নপুর, উভয় থানা- পাংশা, জেলা- রাজবাড়ী বলে জানা যায়। গ্রেফতারকৃত আসামীকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।