কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলাধীন মহিনন্দ ইউনিয়নের ভাস্করখিলা বড় বিল, মধ্য বিল ও উত্তরের বিলের জলাবদ্ধতা নিরসনে ও পানিতে নিমজ্জিত বোরো ফসল রক্ষার দাবীতে ভাস্করখিলা থেকে মাইজখাপনের পাচধা পর্যন্ত খাল খননের দাবী জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত চাষীরা।
জানা গেছে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার মহিনন্দ ইউনিয়নের কয়েক শত বছরের প্রাচীন ভাস্করখিলা বিলে কয়েক হাজার হেক্টর জমিতে রোপিত বোরো ফসলের ধান তলিয়ে যাওয়ার আশংকা দেখা দিয়েছে। গত দুদিনের বৈশাখী ঝর ও বৃষ্টিতে এবং উজান থেকে নেমে আসা পানিতে এসব জমি তলিয়ে যাওয়ার আশংকা দেখা দিয়েছে। ভাস্করখিলার বড় বিলে মহিনন্দ ও লতিবাবাদ ও কিশোরগঞ্জের থেকে সংযোগে ১৫ টি খাল দিয়ে পানি আসে আর পাচধার একটি মাত্র খাল দিয়ে পানি নামে। ভাস্করখিলা বিলের উত্তর পশ্চিম কোন দিক থেকে পাচধার এই খালটি শুরু হয়ে মাইজ খাপনের পাচধা ও নীলগঞ্জের লাউয়াখালী ব্রীজের নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। সেই খালটি এখন ভরাট হয়ে জমির সাথে মিশে একাকার হয়ে যাওয়ায় পানি আগের মত আর নামে না। এ খালের ভাস্করখিলার উৎস মুখে শামীম হামজা গংদের কয়েকটি ফিসারী দেয়ায় পানি প্রবাহের গতি বাধা গ্রস্ত হচ্ছে। ফলে ভাস্করখিলা বিলের উৎস মুখের খালটি খনন করা এখন জরুরি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই খাল খনন করা না হলে এতদাঞ্চলের বোরো চাষিরা উঠতি বোরো ফসল সংগ্রহ করতে পারবেন না এই চিন্তায় চাষীরা হতাশ হয়ে পড়েছেন। বর্তমান সরকারের কাছে খালটি খননের দাবী জানিয়েছেন এতদাঞ্চলের বোরো চাষিরা। স্থানীয় ইউপি সদস্য মাহতাব উদ্দিন ও কামাল উদ্দিন জানান, গত বছরে খালটি খনন করার জন্য আবেদন জানিয়েছিলাম। এখন পযন্ত তা আলোর মুখ দেখছে না। দ্রুত খালটি খনন চাই।