কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার শোলাকিয়া, বাগপাড়া, আতকাপাড়া ও কলাপাড়ার কৃষকের শতশত হেক্টর জমি - শুখনি বিল, কচ্ছুয়ার বিল, চিনাকান্দি বিল, মেয়াকোনা বিল সহ অনান্য বিলে জলাবদ্ধতার হাত থেকে ফসল রক্ষায় নকশা অনুযায়ী পুরাতন (উদ্দেয়ার খাল) পুণ: খননের দাবিতে মানববন্ধন করেছে চার গ্রামের কৃষক ও এলাকাবাসী। ২৭ এপ্রিল সোমবার সকালে কলাপাড়া রেলক্রসিং সংলগ্ন খালপাড়ে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। ঘন্টাব্যাপী উক্ত মানববন্ধনে কলাপাড়ার আব্দুস সালাম, বাগপাড়ার মিজানুর রহমান, শোলাকিয়ার মহরম আলী ও সিরাজ উদ্দিন, আতকা পাড়ার শাহজাহান, মহিনন্দ ইউনিয়নের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পারভীন আক্তার সহ বাগপাড়া, আতকাপাড়া ও কলাপাড়া সহ আশেপাশের ক্ষতিগ্রস্থ কৃষক ও এলাকাবাসী তাদের দু:খ কষ্টের কথা বক্তব্যের মাধ্যমে প্রকাশ করে। র্ম র্ম রায় বলেন,বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, শতবর্ষী এই খালটা খনন না হওয়ায় বিলের পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা একদম থমকে আছে। খালটি বছরের পর বছর খনন না করার ফলে নাব্যতা হারিয়েছে অনেক আগেই। খালের দুপাশ অবৈধ দখলে খালের স্বাভাবিক পানি প্রবাহ বন্ধ হয়ে আছে দীর্ঘদিন যাবত। ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই অত্র আলোরমেলা, নীলগঞ্জ রোড, রামকৃষ্ণ মিশন, খানিকাটা, বড়বাড়ি, শোলাকিয়া, বাগপাড়া, আতকাপাড়া ও কলাপাড়াসহ আশেপাশের বিভিন্ন এলাকায় তীব্র জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয় এবং ঘরবাড়ি ও ফসলি জমিতে পানি জমে থাকছে। একটু ভারী বৃষ্টিতে তলিয়ে যাচ্ছে শতশত হেক্টর ফসলি জমি, প্রতিবছরই ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে সাধারণ কৃষক। যা কৃষিনির্ভর এলাকার হুমকিস্বরূপ। মহিনন্দ ইউনিয়ন ভুমি সহকারী কর্মকর্তা জুোতির্ময় রায় বলেন মানববন্ধন শেষে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য বরাবরে একটি স্মারক লিপি প্রদান করেন কৃষকরা। এ বিষয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.কামরুল হাসান মারুফ একটি তদন্ত কমিটি করে দেন। সে প্রেক্ষিতে মহিনন্দ ইউনিয়নের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মুহাম্মদ নাছিরুজ্জামান সুমন ও সাবিহা সুলতানা সরেজমিনে পরিদর্শন করে কৃষকদের সাথে আলাপ আলোচনা করেন এবং যারা জলাবদ্ধতার সৃষ্টি করেছেন তাদেরকে সেচ্ছায় খালের ভূমি ছেড়ে দিতে বলেছেন বলে জানিয়েছেন।