কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালকের ক্ষতিগ্রস্ত বোরো জমি পরিদর্শন

এফএনএস (আমিনুল হক সাদি; কিশোরগঞ্জ) :
| আপডেট: ২৯ এপ্রিল, ২০২৬, ০৯:৩৭ পিএম | প্রকাশ: ২৯ এপ্রিল, ২০২৬, ০৯:৩৭ পিএম
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালকের ক্ষতিগ্রস্ত বোরো জমি পরিদর্শন

কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার মহিনন্দ ইউনিয়নের ভাস্করখিলা বিল ও মাইজখাপনের মইষাকান্দি বিলসহ বিভিন্ন বিলের ক্ষতিগ্রস্ত চাষীদের বোরো ফসলি জমি পরিদর্শন করেছেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামার বাড়ি ঢাকার উপপরিচালক (প্রশিক্ষণ উইং) কৃষিবিদ মো: মনিরুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল। বুধবার বিকেলে তিনি জেলা সদরের ভারী বৃষ্টিতে তলিয়ে যাওয়া জমি দেখেন ও ক্ষতিগ্রস্ত চাষীদের সাথে কথা বলেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলার কৃষি অফিসার মুহাম্মদ জয়নুল আলম তালুকদার, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মুহাম্মদ নবী হোসেন, নাছিরুজ্জামান সুমন, সাবিহা সুলতানা,আফরোজা আক্ততার, মহিনন্দ কৃষক দলের সভাপতি নাছির উদ্দীন,সাধারণ সম্পাদক জামাল উদ্দিন, মহিনন্দ ইতিহাস ঐতিহ্য সংরক্ষণ পরিষদের সভাপতি আমিনুল হক সাদী, কৃষক ক্লাবের সভাপতি মাহবুব আলম প্রমুখ। মইশাকান্দি বিলের ক্ষতিগ্রস্ত চাষী জামাল উদ্দিন বলেন,আমার ১৬ কাঠা জমি সবটাই পানিতে তল গেছে। ভাস্করখিলা বিলের চাষী হেলাল উদ্দিন, জমশেদ,সাধীন ও ইলিয়াস বলেন, আমাদের প্রায় ৫০ কাঠা জমিতে ধান রোপন করেছিলাম একটা জমিও কাঠতে পারিনি। সব পানির নীচে। চাষী আমিনুল হক সাদী ও কালাম মিয়া বলেন, আমাদের বার কাটা জমিতে খুব সুন্দর ধান হয়েছিলো কিন্ত অকাল বন্যায় একেবারে সম্পুর্ণ ধানী জমি ডুবে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত চাষী মাহবুব, শাহ আলম ও সাইফুল বলেন,অনেক আউশের একমাত্র বোরো ফসল করেছিলাম। আর কিছু দিন পরেই ধান সংগ্রহ করতে পারতাম কিন্ত ভাগ্যর পরিহাস অসময়ের বৃষ্টিতে পানির নীচে চলে গেছে সব জমি। শুধু তাই না আমাদের ভাস্করখিলার বড় বিল,উত্তরের বিল, মাঝের বিলের ৩ হাজার হেক্টর জমিতে রোপিত বোরো ফসলের ধান তলিয়ে গেছে। মইশাকান্দি বিলের চাষীরা বলেন,আমাদের খালিয়াজুড়ি খালের উৎস মুখ ধলেশ্বরী নদীর পাড়ে যে সুইচগেট রয়েছে তা খুবই সমস্যা। বিশেষ করে এই সুইচ গেইটের দুটি ডালা অকেজো আর দুটি ডালা গতকাল রাতে খোলে দিলেই পানি খুবই ধীরগতিতে নামছে। সুইচ গেইটের সংস্কার ও খালের পুনঃ খনন প্রয়োজন।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে