ঝিনাইদহে পান উৎপাদন ও রপ্তানি বিষয়ক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে ঝিনাইদহ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রশিক্ষ কক্ষে পান চাষী, পান সরবরাহকারী, পান রপ্তানিকারক ও উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের রপ্তানিযোগ্য পান পাতার বাজার প্রবেশাধিকার এবং ফসল-পরবর্তী ব্যবস্থাপনা বিষয়ে রপ্তানিকারক ও কৃষকদের সক্ষমতা বৃদ্ধি বিষয়ক দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। এতে রপ্তানীযোগ্য নিরাপদ ও বালাইমুক্ত পান উৎপাদন সংশ্লিষ্ট পান চাষী, পান সরবরাহকারী ও পান রপ্তানিকারক এবং কৃষি বিভাগের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাসহ ৫০ জন দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেন। ঝিনাইদহ ৬ উপজেলায় দীর্ঘ বছর ধোরে বানিজ্যিক ভিত্তিতে পান চাষ হয়। এছাড়া কালীগঞ্জের পান দেশের বিভিন্ন জেলায় বিক্রি হয়।
বাংলাদেশ উদ্যানপালন উৎপাদক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিএইচপিইএ) এর উদ্যোগে ও বাণিজ্য মন্ত্রওণালয়ের কৃষিপণ্য ব্যবসা উন্নয়ন পরিষদ (এপিবিপিসি) এর আর্খিক সহযোগিতায় এবং ঝিনাইদহ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ কামরুজ্জামান এর সভাপতিত্বে প্রশিক্ষণের প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ফ্রুটস, ভেজিটেবলস এন্ড এলাইড প্রোডাক্টস এক্সপোর্টর্স এসোসিয়েশন (বিএফভিএপিইএ) সেক্রেটারী ও ঢাকা খামারবাড়ি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্ভিদ সংরক্ষণ উইং-এর প্রাক্তন ভারপ্রাপ্ত পরিচালক (অবঃ) কৃষিবিদ হাফিজুর রহমান। এছাড়াও প্রশিক্ষণে উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইদহ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (শস্য) কৃষিবিদ আনিসুজ্জামান খান, অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (পিপি) কৃষিবিদ শিকদার মোহায়মেন আক্তার, কৃষি প্রকৌসলী এনামুল হক,ঢাকা খামারবাড়ি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক (অবঃ) কৃষিবিদ আব্দুল মজিদ। প্রশিক্ষণে বাংলাদেশের সুস্বাদু পান ইউরোপসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নিরাপদ ও বালাইমুক্ত পান আমদানীকারক দেশের চাহিদানুযায়ী উৎপাদন করে বিশেষ করে উত্তম কৃষি চর্চা (উত্তম কৃষি পদ্ধতি-জিএপি) অবলম্বন করে উৎপাদন ও রপ্তানি করার জন্য অনুরোধ করেন বাংলাদেশ ফ্রুটস, ভেজিটেবলস এন্ড এলাইড প্রোডাক্টস এক্সপোর্টর্স এসোসিয়েশন (বিএফভিএপিইএ) এর পক্ষ হতে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেণ।