রাজশাহীর বাগমারা নিজের বুদ্ধিমত্তায় ছিনতাইকারীর কবল থেকে রক্ষা পেয়েছেন ব্যবসায়ী। ওই ব্যবসায়ীর নাম আফজাল হোসেন (৪৫)। তিনি উপজেলার বড় বিহানালী ইউনিয়নের বড়কয়া গ্রামের বাসিন্দা।
গতকাল বুধবার দিবাগত রাতে ভবানীগঞ্জ- বান্দাখাঁড়া সড়কের দালানিতলায় এই ঘটনা ঘটে।
ব্যবসায়ী আফজাল হোসেন জানান, গতকাল বুধবার দিবাগত রাতে উপজেলার উত্তর একডালায় ব্যবসায়িক কাজ সেরে মোটরসাইকেল নিয়ে নিজ বাড়িতে ফিরছিলেন রাত ১১ টার দিকে তিনি বড় বিহানালী দালানিতলা এলাকায় পৌঁছালে মুখোশধারী এক ছিনতাইকারী লাঠি হাতে করে তার গতি রোধ করেন। তিনি দুর্বৃত্তের কবলে পড়েছেন এমন আঁচ করতে পেরে তার সামনে গিয়ে গাড়ি থামানোর ভঙ্গিমা করেন। এসময় দুবৃর্ত্ত লাঠি নিচু করলে আফজাল হোসেন দ্রুত মোটরসাইকেল চালিয়ে সটকে পড়ার চেষ্টা করেন। এ সময় ছিনতাইকারী লাঠি দিয়ে তার পিঠে আঘাত করে। এরপরেও তিনি আহত হয়ে তাকে পাশ কাটিয়ে চলে যেতে থাকেন। তবে ৩০ গজ দূরে ওই দলের আরেকজন মুখোশধারী ছিনতাই কারী হাতে বড় হাসুয়া নিয়ে তাকে থামানোর চেষ্টা করেন। এই সময় তিনি দ্রুত গতিতে ছিনতাই কারীর দিকে মোটরসাইকেলে প্রধান লাইট তার চোখ তাক করে ধরেন এবং
তাকে চাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন। পরিস্থিতি বুঝতে পেরে ওই ছিনতাইকারী পালিয়ে নিজেকে রক্ষা করেন। পরে ব্যবসায়ী বাড়িতে গিয়ে ঘটনাটি জানান এবং লাঠির আঘাতে তিনি আহত হন। রাতের ব্যবসায়ীকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ ভর্তি করা হয়। সেখানে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর আজ দুপুরে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।
জানা যায়, আফজাল হোসেন একজন আলু ব্যবসায়ী। তার কাছে ব্যবসার টাকা ছিল। তিনি বলেন, 'সামনের ছিনতাইকারীর চোখে মোটর সাইকেলের প্রধান লাইট ধরার কারণে এবং মোটরসাইকেল তার গায়ে তুলে দেওয়ার চেষ্টা করায় ওই ছিনতাইকারী পালিয়ে গেছে এবং নিজেকে রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে। ৩ এই বিষয়ে তিনি থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। তিনি বলেন, 'কাছে থাকা ব্যবসা টাকা নেওয়ার জন্যই তার গতিরোধ করা হয়েছিল। পাঁচ মাস আগেও ওই এলাকায় ছিনতাই এর ঘটনা ঘটেছিল।
বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিল্লুর রহমান বলেন, 'এ বিষয়ে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে কিনা তিনি জানি না, আমি বাইরে আছি, থানায় গিয়ে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।