আজ ৮ মে, নড়াইলের কালিয়া প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, প্রবীণ সাংবাদিক এবং দৈনিক সমকালের কালিয়া প্রতিনিধি এস. এম. মশিউল হক মিঠুর দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী। ২০২৪ সালের এই দিনে তিনি অসংখ্য শুভাকাঙ্ক্ষী, সহকর্মী ও গুণগ্রাহী মানুষকে শোকাহত করে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান। কালিয়ার সাংবাদিক সমাজের অন্যতম পথিকৃত ছিলেন প্রবীণ সাংবাদিক এস. এম. মশিউল হক মিঠু। তাঁর সাংবাদিকতা ছিল সত্য, ন্যায় ও মানবিকতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। তিনি ছিলেন একজন সৎ, সাহসী, নিষ্ঠাবান ও ব্যক্তিত্বসম্পন্ন সাংবাদিক। সাংবাদিকতা পেশায় সততা, নির্ভীকতা ও মানবিক মূল্যবোধের জন্য তিনি এলাকায় ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছিলেন। সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে তাঁর দৃঢ় অবস্থান এবং দায়িত্বশীল সংবাদ পরিবেশন তাঁকে সাধারণ মানুষের কাছে করে তুলেছিল আস্থার প্রতীক। কালিয়া প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠায় তাঁর অসামান্য অবদান আজও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন স্থানীয় সাংবাদিক সমাজ। তিনি শুধু একজন সাংবাদিকই ছিলেন না, ছিলেন তরুণ সাংবাদিকদের অনুপ্রেরণা, অভিভাবক ও পথপ্রদর্শক। তাঁর স্নেহ, আন্তরিকতা ও নেতৃত্বগুণ বহু মানুষের হৃদয়ে স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছে। সংবাদপত্রের গণ্ডি ছাড়িয়ে সামাজিক ও মানবিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডেও তাঁর সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল প্রশংসনীয়। মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে দাঁড়ানো, অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া এবং সমাজের কল্যাণে নিরলস কাজ করাই ছিল তাঁর জীবনের অন্যতম আদর্শ। ব্যক্তি জীবনেও তিনি ছিলেন অত্যন্ত সাদাসিধে, বিনয়ী ও পরোপকারী একজন মানুষ।
আজও তাঁর শূন্যতা গভীরভাবে অনুভব করেন সহকর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী ও এলাকাবাসী। তাঁর আদর্শ, কর্মনিষ্ঠা ও মানবিক গুণাবলি আগামী প্রজন্মের সাংবাদিকদের অনুপ্রেরণা জোগাবে। এক কথায় বলতে গেলে, কালিয়ায় সাংবাদিকতার পথচলায় এস. এম. মশিউল হক মিঠু ছিলেন একজন অগ্রদূত ও সাংবাদিক সমাজের পথিকৃত। মহান আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা, তিনি যেন মরহুম এস. এম. মশিউল হক মিঠুকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারকে ধৈর্য ধারণের তাওফিক দান করেন। আমিন।