বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট ও মোল্লারহাট সীমান্তবর্তী কাঠাল বাড়ি স্কুল সংলগ্ন খালপাড় এলাকার মাটিয়ারগাতি একটি নির্জন স্থানে জুয়া খেলার অভিযোগ উঠেছে। প্রতিদিন এ জুয়ার আসরে চলছে লাখ লাখ টাকার তাস খেলা। জুয়ার আসরের অধিকাংশ জুয়াড়িরা মাদকে আসক্ত হয়ে চালিয়ে যাচ্ছে জুয়া খেলা এমন অভিযোগও উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে। এ জুয়া খেলায় অতিগোপনে নেতৃত্ব দিচ্ছেন ওই এলাকার বা অক্ষর যুক্ত, মা অক্ষর যুক্ত, জা অক্ষর যুক্ত, কা অক্ষর যুক্ত, জা অক্ষর যুক্ত, কা অক্ষর যুক্ত, লাডু অক্ষর যুক্ত ও বি অক্ষর যুক্ত সহ কিছু অসাধু ব্যক্তি। এদের কয়েকজনের সঙ্গে বিষয়টি নিশ্চিত হতে ফোন করলে এড়িয়ে যায়।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, প্রতিদিন দুপুর ১ টা থেকে সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত লাখ লাখ টাকার এ অবৈধ জুয়া খেলা বহাল তবিয়তে চালিয়ে যাচ্ছে। এখানে প্রায় ৩-৪ মাস ধরে অদৃশ্য ক্ষমতার অপব্যবহার করে জুয়া খেলাটি চালিয়ে আসছে। এই জুয়ার টাকা জোগাড় করতে এলাকায় চুরি-ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের মত ঘটনাও ঘটার আশংকাও রয়েছে বলে এমন প্রশ্নও রয়েছে অনেকেরই মুখে মুখে।
ফলে এই জুয়া খেলার কারনে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন এলাকাবাসী। এ ভাবে জুয়া খেলা চললে যুবসমাজ দংশের দারপ্রান্তে পৌঁছার সম্ভাবনা রয়েছে। এ জুয়ার আসরে মাদক বিক্রি ও সেবনের অভিযোগও রয়েছে বলে বিভিন্ন সুত্র থেকে প্রকাশ রয়েছে। এছাড়া জুয়াড়িদের অধিকাংশ পরিবারে এই জুয়া খেলার কারণে রয়েছে অশান্তিতে এমন মন্তব্য করেছেন ওই এলাকার অনেকে। এ বিষয়ে অবৈধ জুয়া পরিচালনাকারীদের মধ্যে মো. বিল্লাল নামের একজন স্বীকার করে বলেন, কাঠাল বাড়ি জুয়া খেলা হয়। খেলতে আসলে দিনের বেলা সাড়ে ১২ টায় ফোন দিয়ে আসতে হয়। এ কথা বলে তার সংযোগকৃত ফোনটি কেটে দেয়। বালাম নামের আরেকজনের কাছে জুয়া খেলার বিষয়টি জানতে চাইলে অস্বীকার করে বলেন, এখানে কোন জুয়া খেলা হয়না। প্রথমে এড়িয়ে গেলেও পরে তিনি স্থানীয় মেম্বর পরিচয় দিয়ে বলেন খুলনায়ও জুয়া খেলা হয়। এখানের জুয়া খেলার কথা কে বলেছে ?
অথচ তিনি আরও বলেন, খুলনা সহ বিভিন্ন এলাকা থেকে যারা আসে তারা হয়তো বলেছে এখানে জুয়া খেলা হয়। এই বলেই তিনি তার মোবাইলের সংযোগটি কেটে দেন। মুহুর্তের মধ্যে আবার তার মোবাইলে কল দিলে সংযোগটি বন্দ পাওয়া যায়। জুয়া খেলার বিষয়টি স্বীকার করে কালা নামের আরেকজন বলেন, সকালে ফোনে যোগাযোগ করলে বলা যাবে কোথায় খেলা হবে। মোল্লারহাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কাজী রমজানুল হক বলেন, এ বিষয়ে আমার জানা নেই। তবে যদি এ ধরনের জুয়া খেলা হয় তাহলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ফকিরহাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ সাইফুল ইসলাম বলেন, জুয়া খেলার বিষয়ে আমার কাছে অনেকে বলেছে। মাঝে সংবাদ পেয়ে গিয়েছিলাম। গিয়ে দেখি আমার এরিয়ার ভিতরে না। তবে আমার এরিয়ার ভিতরে হলে অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হতো।