রাজশাহীর তানোর-চৌবাড়িয়া বৃহত্তর পশু হাটের প্রবেশ মুখের সড়কে অনেক দিন ধরে ছোট-বড় গর্তে ভরপুর। বৃষ্টি হলে সেই গর্তগুলোতে পানি জমে থাকে। এসব গর্তের কারণে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা ঘটনা। পথচারীরাও রাস্তা পার হতে গিয়ে কাদা পানিতে দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উত্তরবঙ্গের অন্যতম বড় পশুর হাট। প্রতি শুক্রবার এই হাটটি বসে, যেখানে প্রচুর পরিমাণে গবাদি পশু বেচাকেনা হয়। হাটে আশেপাশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে যানবাহনে করে এই সড়ক দিয়ে হাটে পশু ক্রয় বিক্রয়ের জন্য আনা নেওয়া করা হয়। চৌবাড়িয়া হাটের দিনে সকাল থেকে মানুষের পদচারণে জমে ওঠে প্রবেশ মুখের সড়ক। পথচারীসহ ছোট-বড় অসংখ্য যানবাহন চলাচল করে। গভীর রাত পর্যন্ত এলাকাটি মানুষ ও যানবাহনে সরগরম থাকে। কিন্তু অনেক দিন ধরে তানোর-চৌবাড়িয়া সড়কের দিকে অসংখ্য ছোট-বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টি হলে গর্তগুলোতে পানি জমে থাকে। অনেক সময় অটোরিকশা, ভ্যানগাড়ি ও মোটরসাইকেলের চাকা গর্তে পড়লে অসতর্ক অনেক যাত্রী পড়ে আহত হন। কখনো গর্ত এড়াতে গিয়ে যানবাহনের চালকেরা পথচারীর ওপর গাড়ি তুলে দেন। বৃষ্টির সময় পথচারীরা স্থানটি পার হতে গিয়ে বিপাকে পড়ে। ওই সড়কের ভেঙে যাওয়া স্থান দ্রুত সংস্কারের দাবি জানিয়ে পথচারী ও যানবাহনের চালকসহ এলাকাবাসী।
সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে, তানোর-চৌবাড়িয়া সড়কের চৌবাড়িয়া হাটের প্রবেশ মুখে তানোর উপজেলা সীমানার রাস্তায় পানি জমে থাকা স্থানে যানবাহন চলাচলের কারনে ধীরে ধীরে ভেঙ্গে বেশ কিছু স্থান জুড়ে বিশাল গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টির পানি বের হওয়ার ব্যবস্থা না থাকায় সৃষ্টি হওয়া ওই গর্তে পানি জমে রয়েছে। ওই ভাঙ্গা রাস্তায় জমে থাকা পানির মধ্যেই চলাচল করছে ট্রাক, ট্রলি, ভুটভুটি, সিএনজি, অটো ভ্যান ও মোটরসাইকেল চালকসহ পথচারীরা।
যানবাহন চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়া ভেঙে যাওয়া স্থান দিয়ে যানবাহন চলাচলের সময় জমে থাকা পানি ছিটকে পথচারীদের গায়ে পড়ার পাশাপাশি ভেঙ্গে যাওয়া ওই স্থানে মটরসাইকেল চালকরা পড়ে যাচ্ছেন। অপর দিকে বিপরিত থেকে আসা ভারী যানবাহন চলাচলের সময় ভ্যানসহ অটো গাড়ির, সিএনজি ও মটরসাইকেল চালকরা পড়ে পানি ও কাদার মধ্যে পড়ে যাওয়ার পাশাপাশি প্রায় ঘটছে ছোট বড় দূর্ঘটনা। অপর দিকে তানোর চৌবাড়িয়া সড়কের বেল পুকুরিয়া মোড়ের উত্তরের রাস্তার একটি স্থানের দুই পাশে রাস্তায় বড় দু'টি গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করে সুলতান আহম্মেদ,আব্দুল মান্নানসহ বেশ কয়েকজন পথচারীরা বলেন, চৌবাড়িয়া প্রবেশ মুখ, বেল পুকুরিয়া মোড়, লবাতলা ব্রীজের উত্তরের স্থান গুলোতে বড় বড় গর্তের কারনে চলাচলে দুর্ভোগের পাশাপাশি প্রায় সময় ঘটছে দূর্ঘটনা। জরুরী ভিত্তিতে সংস্কার প্রযোজন।
তানোর উপজেলা প্রকৌশলী নুরনাহার বলেন, ভেঙ্গে যাওয়া স্থান গুলোতে জরুরী ভিত্তিতে ইট ও বালি দিয়ে সংস্কারের ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। দীর্ঘ স্থায়ীত্বের জন্য সংস্কার করতে একটু সময় লাগবে।