দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তাপমাত্রার অস্বস্তির মধ্যেই কালবৈশাখী ঝড়ের আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। রোববার (১০ মে) সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে রংপুর, দিনাজপুর, ময়মনসিংহ, সিলেট, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। এ কারণে এসব এলাকার নদীবন্দরকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
রোববার সকালে আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবিরের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পশ্চিম অথবা উত্তর পশ্চিম দিক থেকে এই ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। কোথাও কোথাও বজ্রপাতেরও আশঙ্কা রয়েছে। আবহাওয়া অফিস বলছে, ঝড়ের সঙ্গে অস্থায়ীভাবে ভারী বৃষ্টিও হতে পারে।
কয়েকদিনের বিরতির পর আবারও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গরম বেড়েছে। রাঙামাটিতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৭ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। ঢাকায় ছিল ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে একই সময়ে দিনাজপুরে ২৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে। এছাড়া সৈয়দপুর, কক্সবাজার, রংপুর ও খেপুপাড়াসহ কয়েকটি এলাকায়ও বৃষ্টি হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় একটি লঘুচাপের বর্ধিতাংশ অবস্থান করছে। এর প্রভাবে দেশের আট বিভাগেই দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে সোমবার (১১ মে) এর মধ্যে দক্ষিণ পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে।
সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, বুধবার (১৩ মে) পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। বিশেষ করে রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনাও রয়েছে।
এদিকে নদীপথে চলাচলকারী নৌযানগুলোকে সতর্কতার সঙ্গে চলাচলের পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। ঝড়ের সময় মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।