বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলমকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে পূর্ণাঙ্গ শাটডাউনের কর্মসূচির তিনদিন চলছে। একই সাথে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছে আন্দোলনরত শিক্ষকরা। এখন পর্যন্ত তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পদে পদত্যাগ চেয়ে অব্যাহতি নিয়েছে তিনজন শিক্ষক।
বুধবার (১৩ মে) দুপুরে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন সহযোগী অধ্যাপক ড. রাহাত হোসাইন ফয়সাল। একইদিনে ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে সিন্ডিকেট সদস্য পদ থেকে অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করেছেন সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তানভীর কায়ছার এবং ছাত্র প্রতিনিধি শিক্ষক। এদিকে আন্দোলনরত শিক্ষকরা ক্যাম্পাসে প্রবেশ করছেন না বরং তাদের নির্দিষ্ট অফিসগুলোতে তালা ঝুলিয়ে দেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ভিসি অধ্যাপক ড. মো. তৌফিক আলম বলেন, আন্দোলন যৌক্তিক হলে সেটি সরকার দ্রুত সময় মেনে নিতো। যেহেতু এখানে অধ্যাপক পদের কোন পদ খালি নেই, তাই এই আন্দোলনটি ইউজিসি মেনে না নেয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকেও মানা সম্ভব হচ্ছেনা। তবে শিক্ষার্থীদের বিষয় চিন্তা করে দ্রুত সকলকে ক্লাসে ফিরে আসার জন্য তিনি (ভিসি) আহবান জানিয়েছেন। উল্লেখ, গত ১১ মে থেকে কমপ্লিট শাটডাউন চলছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে।