মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার শিমুলিয়া ঘাটে কালবৈশাখী ঝড়ে অন্তত ১০টি দোকান ও রেস্তোরাঁ লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে। রোববার (২৫ মে) দুপুর ১টা ৪০ মিনিটের দিকে আকস্মিক ঝড়ের তাণ্ডবে দোকানগুলোর চালা উড়ে যায় এবং বিভিন্ন স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে প্রায় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় সূত্র জানায়, হঠাৎ শুরু হওয়া প্রবল ঝড়ো হাওয়ায় শিমুলিয়া ঘাট এলাকার একের পর এক রেস্তোরাঁ ও দোকানের টিনের চালা উড়ে যায়। অনেক দোকানের আসবাবপত্র ও বৈদ্যুতিক সরঞ্জামও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ঝড়ের পর পুরো এলাকায় আতঙ্ক ও হতাশা ছড়িয়ে পড়ে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী ও মাওয়া কুটুমবাড়ি-ইলিশ বাড়ি রেস্তোরাঁর মালিক বলেন, ঝড়ে আমাদের রেস্তোরাঁসহ আশপাশের প্রায় সব রেস্তোরাঁর চালা উড়ে গেছে। সামনে ঈদ, এই সময়ে এমন ক্ষতি আমাদের জন্য বড় ধাক্কা। প্রতিটি দোকান মেরামতে ২০ থেকে ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হবে। সময়ও খুব কম। ঈদের আগে ব্যবসা সচল করা কঠিন হয়ে পড়বে। ঝড়ের পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন মুন্সীগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ। এ বিষয়ে লৌহজং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা ববি মিতু বলেন, কালবৈশাখী ঝড়ে শিমুলিয়া ঘাট এলাকার হোটেল ব্যবসায়ীদের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। সরকারিভাবে সাধ্যমতো সহযোগিতা করা হবে।