৮ ঘণ্টার মধ্যে

রসিকে বর্জ্য অপসারণে নগরবাসীর সহযোগিতা চাইলেন প্রশাসক

এফএনএস (মমিনুল ইসলাম রিপন; রংপুর) :
| আপডেট: ২৮ মে, ২০২৬, ১০:৪৩ পিএম | প্রকাশ: ২৮ মে, ২০২৬, ১০:৪২ পিএম
রসিকে বর্জ্য অপসারণে নগরবাসীর সহযোগিতা চাইলেন প্রশাসক

কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণে নগরবাসীর সহায়তা চেয়েছেন রংপুর সিটি করপোরেশনের (রসিক) প্রশাসক অ্যাডভোকেট মাহফুজ উন-নবী চৌধুরী ডন। ঈদের প্রথম দিনে ৮ ঘণ্টার মধ্যে বর্জ্য অপসারণ করে পরিচ্ছন্ন নগরী উপহার দেওয়ার ঘোষণাও দিয়েছেন তিনি।

রসিক প্রশাসক বলেন, রংপুর পরিচ্ছন্ন রাখার দায়িত্ব আমাদের সবার। সিটি করপোরেশন থেকে পরিচ্ছন্ন নগর উপহার দিতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কোরবানির পশুর বর্জ্য সংগ্রহে বাড়ি বাড়ি ট্রলি ও রিকশা-ভ্যান যাচ্ছে। বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে বর্জ্য অপসারণ করা হচ্ছে। এখন আমাদের দায়িত্ব যত্রতত্র কোরবানির পশুর বর্জ্য না ফেলা। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) দুপুর দুইটার দিকে রংপুর নগরীর শাপলা চত্বর থেকে কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

মাহফুজ উন-নবী বলেন, নগরীর ৩৩টি ওয়ার্ডের নির্ধারিত ৬৬টি স্থানে কোরবানির পশু জবাইয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। নির্ধারিত স্থানগুলো ছাড়া যাতে কেউ উন্মুক্ত স্থান ও সড়কের ওপর পশু জবাই না করেন, এ জন্য সচেতনতামূলক প্রচারণা ও মাইকিং করা হয়েছে। আমরা চাই নগরবাসীকে ঈদের দিনেই পরিচ্ছন্ন নগর উপহার দিতে। এ জন্য নগরবাসীর দায়িত্ব আমাদের পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের সহযোগিতা করা।

তিনি আরও বলেন, পশু কোরবানির পর বর্জ্যরে দুর্গন্ধ রোধে ব্লিচিং পাউডারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছ। সবাই সচেতন হলে নির্ধারিত ১২ ঘণ্টার আগেই কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণ করা সম্ভব। এ জন্য নগরবাসীর সহযোগিতা প্রয়োজন। সকলের প্রতি আহ্বান যেখানে সেখানে পশুর বর্জ্য না ফেলে ডাস্টবিনে ফেলুন। আমাদের নিজস্ব পরিবহন ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে তা অপসারণ করা হবে। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন রসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. রাকিব হাসান, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা শাখার জোন প্রধান মিজানুর রহমান মিজু, মাসুদ হাসান ও শাহিনুর রহমানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ । রংপুর সিটি করপোরেশনের (রসিক) বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ঈদের দিন কোরবানির পশুর ২৫০ টন বর্জ্য অপসারণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। দুপুর ২টা থেকে কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। ১২ ঘণ্টার মধ্যে বর্জ্য অপসারণ করে নির্দিষ্ট স্থানে ডাম্পিং করা হবে। এ কাজে সিটির ১ হাজার ৬৯ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী তিনটি জোনে বিভক্ত হয়ে বর্জ্য অপসারণে কাজ করছে। এতে প্রায় দেড় শতাধিক ট্রলি ও রিকশাভ্যান এবং ৩০টি ডাম্পট্রাক ব্যবহার করা হচ্ছে। এছাড়া পশুর বর্জ্য অপসারণ কাজে হুইল লোডার, ব্যাকো লোডার, স্পিড লোডার, স্কাভেটর ও পানিবাহী গাড়ি রয়েছে। তিন জোনে মনিটরিং টিম এসব দেখভাল করছে।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে