চট্টগ্রামের হালদা নদীতে কুরবানীর বর্জ্যরে কারনে দূষণের বিষয়ে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে পরিবেশ অধিদপ্তর, চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয় গত শনিবার সকাল থেকে হালদা নদী ও হালদা নদী সংলগ্ন এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন । পরিদর্শনকালে জোয়ারের পানির মাধ্যমে কর্ণফুলী নদী হতে আগত কিছু কুরবানির বর্জ্য হালদা নদীতে প্রবেশের আলামত দেখতে পায়। এই সময় নদীর মদুনাঘাট ব্রীজ,গড়দুয়ারা, ও সাত্তারঘাট ব্রীজ হতে নদীর পানির নমুনা সংগ্রহ করে পরিবেশ অধিদপ্তর, চট্টগ্রাম গবেষণাগারে বিশ্লেষণের জন্য প্রেরণ করা হয়েছে। উক্ত বিশ্লেষণের ফলাফল প্রাপ্তি সাপেক্ষে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে গণমাধ্যম জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষ। প্রসংগত কুরবানির বর্জ্যরে মাধ্যমে হালদা নদী ও হালদা নদী সংলগ্ন খাল,নালা দূষণরোধে বিগত ১২ মে হতে পবিত্র ঈদ উল আযহার পূর্ব দিন পর্যন্ত হালদা নদী ও হালদা নদী সংলগ্ন এলাকায় পরিবেশ অধিদপ্তর হতে জনসচেতনতামূলক সাইনবোর্ড স্থাপনসহ মাইকিং, লিফলেট বিতরণ কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও হালদা নদী ও হালদা নদী সংলগ্ন এলাকায় মনিটরিং ও জনসচেতনতামুলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে উল্লেখ করা হয়েছে।
হালদা গবেষক, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের হালদা রিচার্স ল্যাবেটরির সমন্মক অধ্যাপক ড মনজুরুল কিবরিয়া জানান, পবিত্র কুরবানির পর প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র হালদা নদীতে কুরবানির বৈজ্য হালদা নদীর বিভিন্ন স্থানে ভাসমান অবস্থার বিষয় সচেতন মহলের মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারের বিষয় তিনি এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম কার্যালয় অবহিত হয়ে গত শনিবার কর্তৃপক্ষ নদীর মদুনাঘাট ব্রীজ, গড়দুয়ারায় ও সত্তারঘাট ব্রীজ এলাকায় পরিদর্শন করেন। সেখানে বৈজ্যের বিষয় পরিবেশ কর্তৃপক্ষ অবহিত হয়ে নদীর পানির নমুনা সংগ্রহ করে পরিক্ষার জন্য গবেষণাগারে বিশ্লেষণের জন্য নিয়ে যায়। পরিবেশ অধিদপ্তর কুরবানি বৈজ্য হালদা নদীতে না পেলার জন্য গত ১২ মে থেকে কুরবানি পূর্ব দিন পর্যন্ত হালদা নদী সংলগ্ন স্থানে ব্যাপক মাইকিং, পোস্টার ও সচেতনতা মুলত লিপলেট বিতরন ও সাইন বোর্ড স্থাপন করেন। এরপর ও হালদা নদী ও নদীর সাথে সংযুক্ত খাল ও ছড়ায় কুরবানির বৈজ্য নদীতে পেলে নদী দূষণ করছে। স্থানীয়দের সচেতন করার পর ও নদী,শাখা খাল, ছড়ায় বৈজ্য ফেলা খুবই দুঃখ জনক বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি দেশের বিশাল মৎস্য সম্পদের খনি হালদা নদী রক্ষায় সকালের সহযোগিতা একান্ত প্রয়োজন বলে তিনি মন্তব্য করেন।