ইউনেস্কোর ‘ম্যান অ্যান্ড দ্য বায়োস্ফিয়ার’ কর্মসূচি

সুন্দরবনের পর এবার যুক্ত হচ্ছে হালদা ও মারজাত বাঁওড়

এফএনএস (কেশব কুমার বড়ুয়া; হাটহাজারী, চট্টগ্রাম) : | প্রকাশ: ১ জুন, ২০২৬, ০৫:৪২ পিএম
সুন্দরবনের পর এবার যুক্ত হচ্ছে হালদা ও মারজাত বাঁওড়

ইউনেস্কোর ম্যান অ্যান্ড দ্য বায়োস্ফিয়ার কর্মসূচি আওতায় সুন্দরবনের পর এবার যুক্ত হচ্ছে চট্টগ্রামের  হালদা ও মারজাত বাঁওড়। বিষয়টি নিশ্চিত করে বিজিসি ট্রাস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও হালদা রিসার্চ ল্যাবরেটরির সমন্বয়ক ড. মো. মনজুরুল কিবরিয়া জানান,  ‘হালদা নদীকে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ করার দাবি জানিয়ে আসছি দীর্ঘদিন ধরেই। এটিকে হেরিটেজ ঘোষণা করতে হলে ইউনেস্কোর যে কয়টি শর্ত মানতে হয়, হালদার ক্ষেত্রে সেখানে কোন বাধা নেই। কিন্তু ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ ঘোষণা করা হলে সেটার সঙ্গে মানুষের দ্বন্দ্ব তৈরির সম্ভাবনা বেশি। সে কারণে ইউনেস্কো হালদা নদীকে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ ঘোষণা থেকে বেরিয়ে এসে তাদের আরেকটি কর্মসূচি ‘ম্যান অ্যান্ড বায়োস্ফিয়ার’ ঘোষণার বিষয়ে আগ্রহী। ইউনেস্কো বিষয়টি নিয়ে ওয়ার্কশপে আমাদের সঙ্গে কথা বলেছে, পরামর্শ নিয়েছে। হালদাকে এখানে অন্তর্ভুক্ত করা হলে নদীটি বিশ্ব জীববৈচিত্র্যের অংশ হয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে স্বীকৃতি লাভ করবে।’

এদিকে চট্টগ্রামের হালদা নদী ও ঝিনাইদহের মারজাত বাঁওড়কে ইউনেস্কোর ম্যান অ্যান্ড দ্য বায়োস্ফিয়ার কর্মসূচির আওতায় অন্তর্ভুক্ত করতে ৩৩ কোটি টাকার ৫ বছর মেয়াদি একটি প্রকল্পের মাধ্যমে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, দূষণ নিয়ন্ত্রণ, বিকল্প জীবিকার সুযোগ সৃষ্টি এবং জলজ পরিবেশ রক্ষায় নানা পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে। প্রকল্পটি আওতায় জীববৈচিত্র্য সমৃদ্ধ এ দুইটি এলাকাকে ইউনেস্কোর স্বীকৃত জীব পরিমন্ডল সংরক্ষণ নেটওয়ার্কে অন্তভূক্ত করার প্রস্ততি নেওয়া হচ্ছে। প্রকল্পের কার্যক্রম সফল ভাবে সম্পন্ন হলে এ দুটি এলাকার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির জন্য ইউনেস্কোর কাছে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দেবে বাংলাদেশ।  ম্যান অ্যান্ড দ্য বায়োস্ফিয়ার ইউনেস্কোর একটি বৈশ্বিক কর্মসূচি যা ১৯৭১ সালে চালু করা হয়। এ কর্মসূচির লক্ষ্য হল মানুষের সংগে প্রকৃতির সহ অবস্থান নিশ্চিত করা।, জীব বৈচিত্র্য সংরক্ষণ করা এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও পরিবেশ পর্যবেক্ষেেণর মাধ্যমে  সংশ্লিষ্ট এলাকার টেকসই ব্যবস্থাপনা উন্নত করা।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে