নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে মাকে হত্যা করে ঘরের মেঝেতে চাপা মাটি দিল আপন ছেলে জুয়েল মিয়া। হত্যার ঘটনাটি গোপন রাখতে ওই ন্যাক্কারজনক কাজে করে পাষন্ড ছেলে। এটি ঘটেছে কিশোরগঞ্জ উপজেলার বড়ভিটা ইউনিয়নে ময়দানপাড়ায়। অবশেষে ঘটনাটি জানাজানি হলে ঘরের মধ্যে মাটি খুঁড়তেই বের হয় সেই গর্ভধারিণী মায়ের অর্ধ গলিত লাশ। পুলিশ ধারণা করছে হয়তো ভারি কোন বস্তু দিয়ে মাথায় আঘাত করে তাকে হত্যা করা হয়েছে। সেই রক্তের দাগ ঢাকতে এবং পাপ লুকাতে নিজের স্বয়ন ঘরের মেঝে খুঁড়ে মাকে পুঁতে রাখে ঘাতক ছেলে। শুধু পুঁতে রেখেই ক্ষান্ত হয়নি, স্বাভাবিকভাবে সেই ঘরের চৌকিতেই রাত কাটিয়েছে ছেলে। ৩ জুন রাতে ঘরের মেঝে খুঁড়ে ষাটোর্ধ্ব মা মারুফা বেগমের গলিত লাশ উদ্ধার করে থানা পুলিশ। নিহত মারুফা বেগম ওই এলাকার মৃত আশরাফ আলীর স্ত্রী। ঘটনার পর থেকেই পলাতক রয়েছে ছেলে জুয়েল।
কিশোরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) লুৎফর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান,প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ছেলে জুয়েলই তার মাকে অত্যন্ত নৃশংসভাবে হত্যা করে ঘরের মেঝেতে পুঁতে রেখেছিল। এই ঘটনায় নিহতের ছোট ছেলে বাদী হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছে। পলাতক জুয়েলকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশি অভিযান জোরদার করা হয়েছে।