সাতক্ষীরা শহরের পুরাতন সাতক্ষীরা হাটখোলা এলাকার একটি বাড়ি থেকে ওয়াহেদা সুলতানা (শিমু) নামের ৩৮ বছর বয়সী এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৫জুন) সকালে তাঁর নিজ ঘরের বিছানা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত ওয়াহেদা সুলতানা ওই এলাকার মৃত মিয়ারাজ আলীর মেয়ে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় নানা গুঞ্জন ও কৌতুহলের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ২০০৭ সালে সুলতানপুর এলাকায় ওয়াহেদার বিয়ে হয়েছিল। তবে বিয়ের মাত্র কয়েক মাসের মাথায় তাঁর স্বামী মারা যান। এরপর তিনি বাবার বাড়িতে ফিরে আসেন এবং পরে বাবার বাড়ির পাশেই একটি ঘর ভাড়া নিয়ে একাকী বসবাস করতেন। স্থানীয়রা জানান, গত বুধবার (৩ জুন) সন্ধ্যার পর বাড়ির সামনের একটি চায়ের দোকানে ওয়াহেদাকে শেষবারের মতো দেখা গিয়েছিল। এরপর থেকে তাঁর আর কোনো খোঁজ মিলছিল না।
খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার দিনগত রাতেই সাতক্ষীরা সদর ফাঁড়ি ও সদর থানা-পুলিশের পৃথক দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরে আজ সকালে ওই ঘরের ভেতর বিছানায় উপুড় হয়ে পড়া অবস্থায় তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদুর রহমান বলেন, মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে পুলিশ ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে এটি হত্যা নাকি স্বাভাবিক মৃত্যু, তা নিশ্চিত হওয়া যাবে।