কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর, নিকলী,কুলিয়ারচর, অষ্ট্রগ্রাম,ইটনা,মিঠামইন সহ আশে পাশে উপজেলাগুলোতে আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা যায় বেশ কয়েক দিন দাবদাহ থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।এই দাবদাহের মধ্যে কোন কোন অঞ্চলে বৃৃষ্টি হলেও গরমের পরিমাণ অনেক বেড়ে গেছে। শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধ বয়সের লোকেরা বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন।গরমের তাপে বিদ্যুতের বেলকিবাজী রাত দিন মিলে ১০ থেকে ১২ ঘন্টা লোডশেডিং হচ্ছে।এই ওষ্ঠাগত গরমে শ্রমজীবি মানুষ থেকে শুরু করে সকল পর্যায়ের মানুষ লেবুর শরবত, ঠান্ডা জাতীয় বিভিন্ন ধরনের জুস খেয়ে নিজেকে বাচানোর জন্য চেষ্ঠা করছেন।বাজিতপুর বাজারের শরবত ব্যবসায়ী রহমত আলী বলেন, ওষ্ঠাগত গরমে তার শরবত বিক্রি আগের চেয়ে দিগুণ হারে বেড়েছে।লাভ ও হচ্ছে তার। সংসার চালাতে এখন আর তার বেগ পেতে হচ্ছে না।নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন পথচারী জানান,গরমের যেমন বেড়েছে, তেমনি ভাবে বিদ্যুতের লোডশেডিং ও পাল্লা দিয়ে বেড়েছে।বিভিন্ন হাসপাতালে শিশু ও বৃদ্ধরা নিউমোনিয়া,আমাশয়,হার্ডের রোগ বেশী পরিমান বেড়েছে বলে জানা গেছে।আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে আজ সোমবার কিশোরগঞ্জ জেলায় তাপমাত্রার পরিমান ৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।