বেহাল চন্দনবাইশা-বগুরা সড়কে ভোগান্তি চরমে

এফএনএস (ইমরান হোসাইন রুবেল; সারিয়াকান্দি, বগুড়া) : | প্রকাশ: ২৪ জুন, ২০২৬, ০২:৩২ পিএম
বেহাল চন্দনবাইশা-বগুরা সড়কে ভোগান্তি চরমে

বালুবাহী ড্রাম ট্রাকের কারণে জেলা শহরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সারিয়াকন্দির চদনবাইশা-বগুড়া ১৯ কিলোমিটাার দীর্ঘ বাইপাস  সড়কের বেহাল দশা হয়েছে। সড়কটির বিভিন্ন অংশে কার্পেটিং উঠে গিয়ে সৃষ্টি হয়েছে  অসংখ্য ছোট -বড় গর্ত। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন পথচারি থেকে শুরু করে  সাধারণ মানুষ। এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন হাজারো মানুষ চলাচল করে। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত সিএনজি চালিত থ্রি হুইলার , ভ্যান, রিকশা ও মোটরসাইকেল ছুটে চলে এ পথে। সমপ্রতি বালুবাহী ড্রাম ট্রাক চলাচল বাড়ার কারণে বিভিন্ন স্থানে কিন্তু গর্ত আর ভাঙাচোরা রাস্তায়  প্রতিনিয়তই ঘটছে দুর্ঘটনা। বিশেষ করে এ রাস্তায় হেঁটে চলাচল করাও দুষ্কর হয়ে পড়েছে। বর্ষার এই দিনে গর্তে পানি জমে গিয়ে সড়কটি রীতিমতো মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে।

স্থানীয় ঘুঘুমারী গ্রামের কুদরত -ই -খুদা চাঁন বলেন, বালুবাহী ট্রাকের কারণে সড়কটির বেহাল অবস্থায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়তে হয় রোগী ও তাদের -^জনদের। বিশেষ করে চরের ৫ ইউনিয়ন ছাড়াও জেলা হাসপাতাল ও উপজেলা -^াস্থ্য কমপ্লেক্সে আসা-যাওয়া করা রোগীদের দুর্ভোগের শেষ নেই। অটোরিকশা চালক হাসেম আলী বলেন, এই রাস্তা দিয়ে যাত্রী তুলতে গেলে প্রতিদিনই গাড়ির ঝাঁকুনিতে যান্ত্রিক ত্রুটি হয়। মাঝেমধ্যে গাড়ি থেকে যাত্রী পড়ে গিয়ে ঘটে দুর্ঘটনা।স্থানীয় শেখপাড়া গ্রামের সোহান শেখের অভিযোগ, প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বারবার অবহিত করা হলেও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

গত ২০২৩ সালে রাস্তাটির সংস্কারকাজ শেষ হওয়ার পর কয়েক মাস না যেতেই সড়কের বিভিন্ন স্থানে ভাঙন দেখা দেয়। তখন আবার মেরামত করা হলেও কিছুদিন যেতে না যেতেই সড়কে এই অবস্থা। বিশেষ করে সড়কের করিতলা থেকে রৌহদহ পর্যন্ত সড়কে দিন- রাত বালুবাহী ড্রাম ট্রাক চলাচলের কারণে সড়কে সৃষ্টি হয়েছে ছোট-বড় অসংখ্য গর্ত। আর সড়কে এই গর্তে দুর্ভোগের শেষ নেই । এই ব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলী তুহিন সরকার বলেন, এধরনের যানবাহন চলাচলের জন্য আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে