আশাশুনি উপজেলার শ্রীউলা ইউনিয়নে ৩৫ বছরের ভোগদখলীয় খাস জমি জবর দখলের লক্ষ্যে সোস্যাল মিডিয়ায় মিথ্যাচারের হাত থেকে রক্ষা পেতে মানববন্ধন করা হয়েছে। বুধবার (২৪ জুন) বিকালে শ্রীউলার কলিমাখালী গ্রামে ভোগদখলীয় জমিতে এ মানববন্ধন করা হয়।
কলিমাখালী মৌজায় ১ নং খাস খতিয়ানে ১২১৭ ও ১২১৮ দাগে জবর দখলের চেষ্টা করা জমির ভোগদখলীকার ভূমিহীন সিরাজুল ইসলাম বলেন, আমরা শান্তিপূর্ণভাবে জমিতে গাছগাছালী লাগিয়ে, ঘরবাড়ি বেধে বসবাস করে আসছি। গফুর ও জব্বার গোলযোগ করলে মেম্বার আঃ রাজ্জাক খুটি পুতে সীমানা ঠিক করে দেন। আমরা মেনে নেই, কিন্তু পরবর্তীতে আওয়ামীলীগ নেতাদের কথা বলে কালাম খুটি সরিয়ে পোতেন। তারা খুটি তুলে জোর করে ঘর বাধতে আসলে আমরা বাধা দেই। আমাদের উপর হামলা করে ছেলে সুমনকে রক্তাক্ত জখম করে। এখন তারা মিথ্যাচার করছে। আমরা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চাই। আমজাদ আলী তার বক্তব্যে বলেন, ঘর বাদা নিয়ে গোলযোগ হলে খবর পেয়ে আমি আসি। নদীতে থাকা শ্যামনগরের একজন নিরপেক্ষ ভাবে খুটি বসিয়ে দেয়। উত্তর পাশে গেলে কামরুল আমার সামনে সুমনের ঘাড়ে বাড়ি মারে। নবীরন বিবি বলেন, গফুর জব্বারে ভাড়াটে জাকির ও কামরুল লাঠি দিয়ে সবুজকে মারে। গুরুতর আহত সুমনকে আশাশুনি, পরে সদর হাসপাতালে ভর্তি করি। ন্যাশনাল হাসপাতালে পরীক্ষা করে এখনো তার চিকিৎসা চলছে। তামান্না সুলতানা বলেন, আমি, আমার শ্বশুর ও স্বামী বাড়িতে ছিলাম। ঘর বাধতে নিষেধ করলে শোনেনা, আমাদের মারতে আসে, আমার স্বামীকে জখম করে। আমরা তাদের কোন রকম মারপিট করিনি। অথচ আপন বাংলায় মিথ্যে রিপোর্ট করা হয়েছে। তাছলিমা, সুজন, জিয়াদ, সুমন বলেন, জব্বার ও গফুর জমিতে ঘরবাধতে আসলে আমরা বাধা দেই। তারা আমাদেরকে মারপিট করে, আহত করে। আমরা তাদের উপর চড়াও হয়নি। আমাদের জমি ওরা অবৈধ দখল করতে না পারে সেজন্য প্রশাসনের সহযোগিতা চাই।আপন বাংলা সত্যতা যাচাই না করে মিথ্যাচার করেছে বলে তারা দাবী করেন। নাইম তার বক্তব্যে বলেন, আমি গোলযোগের ঘটনা মোবাইলে ভিডিও করছিলাম, কামরুল, জাকির, গফুর মোবাইল ভাংচুর করে। আমরা আইনের আশ্রয় নিয়েছি। আশাশুনি থানা নন এফআইআর প্রসিকিউশন নং ৬৪/২০২৬, ধারা ৩২৩/৫০৬(২) ফৌঃকাঃবিঃ।