অসহায় মানুষের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নুরুল

এফএনএস (বরিশাল প্রতিবেদক) :
| আপডেট: ২৫ জুন, ২০২৬, ০৫:০০ পিএম | প্রকাশ: ২৫ জুন, ২০২৬, ০৫:০০ পিএম
অসহায় মানুষের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নুরুল

বরিশালের নদীবেষ্টিত ও দীর্ঘদিনের অবহেলিত মুলাদী উপজেলার চরকালেখান ইউনিয়ন। অতীতে যতো সরকারই ক্ষমতায় ছিলো ওই ইউনিয়নে চোখে পড়ার মতো উল্লেখযোগ্য কোন উন্নয়ন হয়নি। এলাকার উন্নয়নের পাশাপাশি ভাগ্য বঞ্চিত রয়েছেন চরকালেখান ইউনিয়নের অসহায় পরিবারগুলো। যেকারণে জনগনের জোরালো দাবির প্রেক্ষিতে আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অবহেলিত চরকালেখান ইউনিয়ন পরিষদের স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে মাঠে নেমেছেন সৎ, যোগ্য, শিক্ষিত ও পরোপকারি মো. নুরুল হক খান। ইতোমধ্যে ইউনিয়নবাসীর জোরালো দাবির প্রেক্ষিতে তিনি (নুরুল হক খান) নিজেকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করার পর পাল্টে যেতে শুরু করেছে পুরনো সব প্রার্থীদের হিসেবে নিকেস। স্থানীয় প্রবীণ ব্যক্তি হেমায়েত উদ্দিন বলেন, সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান নুরুল হক খান একজন সদালপী ও বিনয়ী মানুষ। তার মধ্যে নেই কোন অহংকার। তিনি কোন রাজনৈতিক দলের নেতা না হয়েও নিজস্ব অর্থায়নে দীর্ঘদিন থেকে ইউনিয়নের গরীব ও অসহায় মানুষের পাশে থেকে সাধ্যমতো সহযোগিতা করে আসছেন।

অপর ব্যক্তি ইসমাইল হোসেন বলেন, কোনদিন কোন কিছু পাওয়ার জন্য নুরুল হক খান কাউকে সহযোগিতা করেননি। তার কাছে যেকোন সমস্যার জন্য গিয়ে কেউ কখনও খালি হাতে ফিরেননি। তিনি আরও বলেন, এবার ইউনিয়নবাসীর জোরালো দাবির প্রেক্ষিতে নুরুল হক খান স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্ধীতা করবেন। আমরা ইউনিয়নবাসীও দীর্ঘদিনের অবহেলা ও বঞ্চনা থেকে মুক্তি পেতে এবার নুরুল হক খানকে বিজয়ী করতে মাঠে নেমেছি।  এ ব্যাপারে চরকালেখান ইউনিয়ন পরিষদের স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. নুরুল হক খান বলেন, অনেকের মতো আমার কালো টাকা নেই। হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রম করে আমি যা আয় করি তা দিয়ে নিজের সংসার খরচ চালানোর পাশাপাশি অবহেলিত চরকালেখান ইউনিয়নের অসহায় ব্যক্তিদের পাশে সাধ্য অনুযায়ী সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছি। তিনি আরও বলেন-আমি গরিব মানুষ, তাই গরিবের কষ্ট বুঝি। অতীতেও একটি বালুখেকো মহলের কারণে যখন আমার এলাকার মানুষ নদী ভাঙনের শিকার হয়েছিল, তখন আমি তাদের পাশে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ করেছি। এতে আমাকে মামলা ও হয়রানির শিকার হতে হয়েছে কিন্তু আমি পিছিয়ে যাইনি। তিনি আরও বলেন, মৃধার হাট-আবুপুর এলাকায় ফেরি চালুর নামে শুকনাে নদী গভীর করার ঘটনায় আমি সাধারণ মানুষের স্বার্থে সোচ্চার ভূমিকা পালন করেছি। জনপ্রতিনিধি হওয়া সৃষ্টিকর্তার রহমত। আমি জনপ্রতিনিধি হই কিংবা না হই ভবিষ্যতেও চরকালেখান ইউনিয়নবাসীর সুখ-দুঃখের সাথী হয়ে কাজ করবো।

নুরুল হক খান বলেন, আমি মরহুম মোতাহার হোসেন বাচ্চু সরদারের আদর্শ অনুসরণ করে এলাকায় শান্তি, শৃঙ্খলা ও উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে চাই। তিনি দাবি করে বলেন, জীবনে কখনো টাকার কাছে নিজেকে বিক্রি করিনি এবং মানুষের কল্যাণকেই নিজের মূল লক্ষ্য হিসেবে দেখেছি। আমি সবসময় আমার পরিবার, আত্মীয়-স্বজন ও অসহায় মানুষের পাশে থেকেছি। ভবিষ্যতেও সৎ ও ন্যায়নিষ্ঠভাবে এলাকার উন্নয়ন এবং মানুষের কল্যাণে কাজ করতে চাই। এজন্য আমি সকলের কাছে দোয়া ও সমর্থন কামনা করছি।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে