দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার বেলওয়া আদিবাসী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা মাহমুদা খাতুনের বিরুদ্ধে সরকারি সম্পদ ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম, শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অর্থ আদায় এবং দুই সহকারী শিক্ষিকাকে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ তদন্ত শুরু করেছে।
বিদ্যালয়ের দুই সহকারী শিক্ষিকা লুৎফুর নাহার ও সিনথিয়া আফরিন গত ১৪ জুন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগে সরকারি সম্পদ সরিয়ে ফেলা, পরীক্ষার ফি ও সনদের নামে অর্থ আদায়, টিফিন কর্মসূচিতে অনিয়ম, জাতীয় দিবসের বরাদ্দের অপব্যবহার এবং অভিযোগকারী শিক্ষিকাদের সামাজিকভাবে হেয় ও সাইবার বুলিংয়ের শিকার করার অভিযোগ আনা হয়। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা মাহমুদা খাতুন বলেন, সব অভিযোগ ভিত্তিহীন। নষ্ট হওয়া পানির ট্যাংক নিরাপত্তার স্বার্থে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে অবহিত করে নিজ জিম্মায় রাখা হয়েছে এবং কিছু যন্ত্রপাতি মেরামতের জন্য দেওয়া হয়েছে।
তদন্তকারী কর্মকর্তা ও উপজেলা পিটিআই ইন্সপেক্টর মো. শাহিদুল ইসলাম জানান, অভিযোগের বিষয়ে সরেজমিন তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। বিভিন্ন বিষয় যাচাই-বাছাই শেষে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আফজাল হোসেন বলেন, তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।