গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর উপজেলার কামারপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম সোনার ওপর সংঘবদ্ধ হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সোনা মিয়াসহ বেশ কয়েকজন আহত হন। এরই প্রতিবাদে ও হামলাকারীদের বিচার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৩ জুলাই) সন্ধ্যায় কামারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে এ কর্মসূচির আয়োজন করে কামারপাড়া ইউনিয়ন বিএনপি।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, মাছচাষ করার জন্য শহিদুল ইসলাম সোনা নিজস্ব পুকুর পূণঃখনন করছেন। এই মাটিগুলো সরকারি কাজে সড়ক নির্মাণের জন্য সরবরাহ করেন। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার (২৭ জুন) সকালের দিকে সোনা মিয়ার পুকুরের উত্তোলন করা মাটি ট্রাক্টরযোগে নির্মানাধীন সড়কে বহন করছিলেন। এরই মধ্যে নিষিদ্ধ কার্যক্রম দামোদরপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতা ও পূর্ব দামোদপুর গ্রামের মৃত আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে আব্দুল খালেক, নান্নু মিয়া, লাজু মিয়া এবং কফিল উদ্দিনের ছেলে সিরাজুল ইসলাম সহ আরও অনেকে সোনা মিয়ার কাছে চাঁদা দাবি করেন। এতে অস্বীকৃতি জানালে আব্দুল খালেক তার দলবল নিয়ে অতর্কিত হামলা করে। এসময় হামলাকারীদের লাঠির আঘাতে সোনা মিয়ার মাথা ফেটে যায়। এতে আরও একাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। তাদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
ভুক্তভোগী শহিদুল ইসলাম সোনা বলেন, আমার পুকুর পূণঃখনননের মাটিগুলো নির্মাণাধীন সড়কে বহন করায় স্থানীয় ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল খালেকসহ আরও অনেকে আমার কাছে মোটা অঙ্কের টাকা চাঁদা দাবি করেন। এই টাকা দিতে অপারগতা জানালে তখন আব্দুল খালেক গংরা আমার ওপর হামলা করেছে। এছাড়া নিজেরাই তাদের ঘরবাড়ি ভাঙচুর করে আমার নামে মামলা সাজানোর পাঁয়তারা করছে। এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত আব্দুল খালেকের সঙ্গে যোগাযোগ চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
সাদুল্যাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, শহিদুল ইসলাম সোনা মিয়াকে মারধর ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। এ ঘটনার যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।